সন্ধান২৪.কমঃ গতকাল শুক্রবার ঘটনাটি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের ঘটনায় সালিস করতে গিয়ে কিশোরী বয়সের অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করলেন চেয়ারম্যান। নিজ স্ত্রীকে চেয়ারম্যান জোর করে বিয়ে করার দুঃখে ঘুমের অষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন স্বামী।
জানা যায়, নারায়নপাশা গ্রামের রমজান (২৫) নামের এক যুবকের সঙ্গে চুনারপুল এলাকার নাজমিন আক্তার নছিমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত তিন মাস আগে তাঁতেরকাঠি গ্রামের সোহেল আকনের সঙ্গে নছিমনের বিয়ে হয়। বিয়ের সাতদিনের মধ্যে নছিমন সোহেলকে তালাক দিয়ে রমজানকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে।
বিয়ের সময় নছিমন রমজানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গোপন রাখে এবং বিয়ের পর তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। রমজানের সঙ্গে নছিমনের প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে স্বামী সোহেলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে তালাক হয়ে যায়। রমজানের বড় ভাই আলী ইমরান জানান, নছিমনের সঙ্গে সোহেল আকনের তালাক হওয়ার পর ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী রমজান ও নছিমনের বিয়ে হয়। কনের বয়স কম হওয়ায় বিয়ের কাবিন হয়নি।
এরপর নছিমন কয়েকদিন আগে তাদের বাড়ি যায়। নছিমনের বাবা নজরুল ইসলাম এ বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান । ফলে রমজান ও নসিমনের পরিবারে মধ্যে টানাপোড়নের শুরু হলে ঘটনাটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের কাছে নজরুল ইসলাম মিমাংসার জন্য দারস্থ হন। গত শুক্রবার দুই পক্ষকে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের আয়লা বাজারস্থ বাসায় যেতে বলেন। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান নিজেই নছিমনকে বিয়ে করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ঘটনার কথা জেনে রমজান ক্ষোভে দুখে ঘুমের অষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। সুত্র : কালের কন্ঠ


