Tuesday, February 10, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home Uncategorized

সৌমিত্রের প্রয়াণে মোদী,শেখ হাসিনা,মমতা, বিমান বসুসহ শোকাতুর টলিউড, কী বলছেন স্বাতীলেখা, দেব, ঋতুপর্ণারা?

November 16, 2020
in Uncategorized
Reading Time: 1 min read
0
0

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছে না টলিপাড়া

0
SHARES
18
VIEWS
Share on Facebook

সন্ধান২৪.কম : সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে  শোক জ্ঞাপন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি সকলেই। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এ দিন লেখেন, ‘সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ফলে ভারতীয় সিনেমা এক মহীরুহকে হারাল। ‘অপু ট্রিলজি’ ও সত্যজিৎ রায়ের একাধিক ছবিতে অভিনয়ের জন্য তাঁকে বিশেষ ভাবে মনে রাখবে মানুষ। অভিনয়ের জগতে তাঁর অবদান চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে’। রাষ্ট্রপতি এ দিন মনে করিয়ে দেন জাতীয় পুরস্কার-সহ বহু সম্মান পেয়েছেন সৌমিত্র। 

একই সঙ্গে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলা ভাষায় টুইট করে মোদি লিখেছেন, ‘শ্রী সৌমিত্র চট্টোপাধায়ের প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগত, পশ্চিমবঙ্গ- সহ ভারতের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে এক অপূরণীয় ক্ষতি’। বাঙালি সংস্কৃতিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও এ দিন লেখেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ‘তাঁর কাজের মধ্যে বাঙালির চেতনা, ভাবাবেগ ও নৈতিকতার প্রতিফলন পাওয়া যায়। তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। শ্রী চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার ও অনুরাগীদের সমবেদনা জনাই। ওঁ শান্তি’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় বাংলা অভিনয় জগতের কিংবদন্তী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার এক শোকবার্তায় বলেন, প্রতিভাবান এই শিল্পীর মৃত্যুতে অভিনয় জগতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তিনি আরও বলেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 “সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু এক গভীর দুঃখজনক ঘটনা। বাংলা চলচ্চিত্র চিরকাল তাঁর কাছে ঋণী থাকবে। আমি তাঁর পরিবার পরিজনকে সমবেদনা জানাই।” শয্যাশায়ী হয়েই শোকবার্তা জ্ঞাপন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

এ দিন সৌমিত্রর প্রয়ানের খবর পেয়ে প্রথমেই বেলভিউ হাসপাতালে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটারে লেখেন, ‘ফেলুদা আর নেই। অপু বিদায় জানাল। বিদায় সৌমিত্র (দা) চট্টোপাধ্যায়। তিনি একজন ‘লেজেন্ড’ ছিলেন। ভারতীয় ও জাতীয় সিনেমা আলাদা করে এক অতিকায় প্রতিভাকে হারাল। আমরা ওঁকে মিস করব। বিশ্ব ও বাংলা সিনেমা আজ অনাথ হয়ে পড়ল’।

এদিন সত্যজিৎ-সৌমিত্র জুটির কথাও মনে করিয়ে দেন মমতা। তিনি লেখেন, ‘মূলত সত্যজিৎ রায়ের ছবির জন্য পরিচিত সৌমিত্র পেয়েছিলেন লিজিয়ন অফ অনার, দাদা সাহেব ফালকে, বঙ্গবিভূষণ, পদ্মভূষণ এ ছাড়াও অসংখ্য জাতীয় পুরস্কার’। আর পাঁচ জন বাঙালির মতো সৌমিত্রর মৃত্যুতে তিনি গভীর ভাবে শোকাহত, সেকথা টুইটারে লিখেছেন মমতা। শোক প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধীও। তিনি টুইটারে লিখেছেন, ‘দাদাসাহেব ফালকে জয়ী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এমন এক অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন, যাঁকে গোটা দেশ শ্রদ্ধা করত। তাঁর পরিবারের প্রতি, বন্ধু, আত্মীয়ের প্রতি আমার সমবেদনা রইল’।

ফাইলা ছবি

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানালেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু, শ্রদ্ধা জানালেন সূর্যকান্ত মিশ্রও। সৌমিত্রর অভিনয় ছিল অনবদ্য, এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল, জানালেন তাঁরা। শ্রদ্ধা জানিয়ে বিমান বসু বললেন, ‘‘সত্যজিতের সব ছবিতেই সৌমিত্রকে ভাল লেগেছে। কোনও একটি বিশেষ ছবি নয়, বরং সমস্ত ছবিতেই তাঁকে অনবদ্য লেগেছে।’’ সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, ‘‘শুধুমাত্র সিনেমায় নয়, মঞ্চে, কবিতায়, নাটক লেখায়, পরিচালনায়— বহুমুখী প্রতিভা ছিল সৌমিত্রর। ওঁর সঙ্গে তুলনীয় ওঁর প্রজন্মের কেউ ছিলেন বলে আমি বলতে পারব না।’’  

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছে না টলিপাড়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছে না টলিপাড়া। যুদ্ধ জয় করে তাঁর ফিরে আসার দিকে চেয়েছিলেন প্রত্যেকে। কিন্তু সব আশা মিথ্যে করে দীপাবলির উৎসবেই নিভে গেল কিংবদন্তি অভিনেতার জীবনদীপ। কাঁদছে টলিউড। বলছে ‘তুমি রবে নীরবে’।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে আর সকলেই মতো স্মৃতি ভারাক্রান্ত অমিতাভ বচ্চনও। কলকাতায় সৌমিত্রর সঙ্গে শেষ দেখার কথা মনে পড়ছে তাঁর। সৌমিত্রকে ‘মূর্ত কিংবদন্তি’ আখ্যা দিয়ে অমিতাভ লিখেছেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম স্তম্ভের পতন হয়েছে… ’। এ শহরে ফিল্মোৎসবের সময় তাঁদের শেষবার দেখা হয়েছিল। সেদিনের কথা টুইটারে লিখেছেন তিনি।

বর্ষীয়ান অভিনেতার মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পরেই স্মৃতিতে ডুব দিলেন সাংসদ-অভিনেতা দেব। ‘সাঁঝবাতি’ ছবিতে কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করেছিলেন বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেতা। সেই স্মৃতি যেন আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছেন দেব। টুইটারে দু’জনের একসঙ্গে ছবি পোস্ট করে তাঁর ‘ছানাদাদু’কে ভাল থাকার বার্তা দিলেন তিনি।

“তাঁর মৃত্যু নেই”, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট জয়া আহসানের।

দেবের মতোই শোকে মুহ্যমান অভিনেতা জিৎ। ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা। ইনস্টাগ্রামে জিৎ লিখলেন, ‘চলে গেলেন বাংলা ছবির কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। একটি যুগের অবসান হল। তাঁর কাজের মাধ্যমে তিনি আমাদের মনে থেকে যাবেন। তাঁর সঙ্গে আমার খুবই সুন্দর বন্ডিং ছিল। আপনাকে মিস করব’। একাধিক ছবিতে সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায়। কিংবদন্তির চলচ্চিত্রের জগতকে চিরবিদায় জানিয়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে তাঁর। এই কালো বছরকে আর সহ্য করতে পারছেন না অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। টুইট করে তিনি লিখেছেন, ‘‘এই বছর সব কিছু কেড়ে নেবে। অভিভাবক, কিংবদন্তি, ছেলেবেলা, নস্টালজিয়া সবকিছু। নির্দয় বছর।’’ পাশাপাশি অভিনেত্রী পার্নো মিত্র পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের ‘মাছ মিষ্টি মোর’ ছবি থেকে তাঁদের দু’জনের একসঙ্গে অভিনীত একটি দৃশ্য টুইট করে শ্রদ্ধা জানালেন তাঁর ‘ক্যাপ্টেন’কে। 

 

‘সাঁঝবাতি’ ছবিতে কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করেছিলেন দেব

স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম কাজ সত্যজিৎ রায়ের ‘ঘরে বাইরে’ ছবিতে। তার ৩০ বছর পরে আবার আমরা এক সঙ্গে কাজ করলাম নন্দিতা রায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘বেলাশেষে’ ছবিতে। তার পর ‘বেলা শুরু’। নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। কিংবদন্তির সঙ্গে ৩টি ছবিতে অভিনয় ভীষণ গর্বের ব্যাপার।প্রতি ছবিতেই যেন নতুন হয়ে সামনে আসতেন সৌমিত্রবাবু। একজন মানুষ কত কিছু পারতেন। অভিনয় তো ছিলই। সঙ্গে নাটক, আবৃত্তি, আঁকা, লেখা— সবেতেই তিনি সেরা। বিশ্ব জুড়ে নামডাক। আড়াইশো-র উপর ছবি। অনেকেই জানতে চান, ৩০ বছরে কতখানি বদলে গিয়েছিলেন সৌমিত্রবাবু? বয়স ছাড়া আর কোনও বদল আমার চোখে অন্তত ধরা পড়েনি। আমি বরাবর ওঁর অন্ধ অনুরাগী। আগেও, এখনও। ‘ঘরে-বাইরে’র সময় যেমন আড্ডা মারতে ভালবাসতেন ‘বেলাশেষে’র সময় দেখলাম সেটা একই আছে। শ্যুট না থাকলেই সেটে আড্ডা দিতেন আমাদের সঙ্গে।
আমার জন্য কতজনকে উনি বলেছেন, স্বাতীকে তোমরা নাও না কেন ছবিতে? ডাক না কেন ওঁকে? ওঁর মতো এত ভাল অভিনেত্রী কম পাবে। দুঃখের মধ্যেও সান্ত্বনা, শেষ ছবি আমার সঙ্গেই করে গেলেন। ‘বেলা শুরু’-র পর বায়োপিক করেছেন। বড় ছবি আর করেননি। আফশোস, সেই ছবি দেখে যেতে পারলেন না!
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় নেই… মনে করলেই মনে পড়ছে ওঁর আত্মীয়তা। ভীষণ আন্তরিক ছিলেন। পর পর দুটো কাজ করায় অদ্ভুত এক আত্মীয়তা তৈরি হয়ে গিয়েছিল আমাদের সবার সঙ্গে। লাঞ্চের সময় খাবারদাবার নিয়ে আমার উপর একটু যেন নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। বলতেন, স্বাতী দেখো তে, ঠিক করে যেন আমায় খাবারটা দেয়। গান শোনাতেন ফাঁক পেলেই। চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর দৃশ্য ছিল। কী আন্তরিক ভাবে সেই দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন। সেই স্মৃতিই আমার সঙ্গে থেকে যাবে আমৃত্যু।

 

‘বেলাশেষে’ ছবির একটি দৃশ্যে সৌমিত্র এবং স্বাতীলেখা

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত: যখন খুব কাছের মানুষ কেউ চলে যান, মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। ঠিক জানে না, কী বলবে, কী করবে? আমারও অবস্থা ঠিক সেই রকমই। বুঝতে পারছি না, কী বলব! কী ভাবেই বা এই শোক সামলাব? জানি না। মনটা অনেক দিন ধরেই খারাপ ছিল। সৌমিত্রকাকু অসুস্থ। এর আগেও যতবার অসুস্থ হয়েছিলেন, এক মনে ঈশ্বরকে ডেকেছি। উনি যেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন। ভগবান সেই প্রার্থনা শুনেছেন। আমাদের কাছে ফিরে এসেছেন সৌমিত্রকাকু। দুরারোগ্য ব্যাধিকে হার মানিয়ে। কখনও আমাদের নিরাশ করেননি। এই প্রথম হার মানলেন কিংবদন্তি অভিনেতা। ২৫-২৬ বছর আগে প্রথম যখন অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রাখলাম তখন থেকেই সৌমিত্র কাকুর স্নেহ পেয়েছি। কত ভালবাসা, শিক্ষা, জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেছেন। অনেক বছর ধরে দেখেছি তাঁকে। এক বয়স থেকে আরেক বয়সে পা রাখা— সবটাই দেখলাম নিজের চোখে। আমার ছোট থেকে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। নিউ কামার্স হিসেবে যখন পা রাখলাম ইন্ডাস্ট্রিতে খুব ভয়ে ভয়ে কাজ করতাম সৌমিত্র কাকুর সঙ্গে। মনে পড়ছে, ‘শ্বেত পাথরের থালা’-র সঙ্গে আরও একটি ছবি করেছিলাম, ‘শেষ চিঠি’। সৌমিত্রকাকুর সঙ্গে ছিলেন তনুজা সমর্থ। বিশাল অভিজ্ঞতা সেটি আমার জীবনের। তখন সৌমিত্রকাকুর অল্পবয়স। দুর্দান্ত হ্যান্ডসাম। পরে কাজ করতে করতে যখন তুলনায় স্বাভাবিক হল সম্পর্ক, কথায় কথায় জানিয়েছিলাম, এত সুন্দর পুরুষ আমি এর আগে দেখিনি। ভীষণ রঙিন ছিলেন মানুষটি। রঙিন রঙিন শার্ট পরতেন। আমি মজা করে জিজ্ঞেস করতাম, এটা তোমার কোন গার্লফ্রেন্ড দিয়েছে? একদিন একটি শার্ট পরে এসে ডেকে বললেন, দ্যাখো, এটা আমার জার্মান গার্লফ্রেন্ড দিয়েছে! ভীষণ মজা করতেন। প্রচণ্ড হাসতেন। সেটে দরাজ গলায় আবৃত্তি করতেন। আর নানা বিষয়ে প্রচুর আলোচনা করতেন। অনেক কিছু শিখেছি ওঁর থেকে। মনে পড়ছে, বসু পরিবার ছবির শ্যুটিংয়ের সময় সেটে অপর্ণা সেন আর সৌমিত্র কাকু কত কিছু নিয়ে আলোচনা করতেন। একজন জীবনানন্দ দাশ বললেন আরেক জন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আওড়াতেন। নক্ষত্রপতনের পাশাপাশি একটা যুগ শেষ হয়ে গেল। আমি, অপর্ণা সেন আর সৌমিত্রকাকু এর আগে একসঙ্গে ‘পারমিতার একদিন’ করেছিলাম। সৌমিত্রকাকুর সঙ্গে আমার শেষ স্মৃতি ‘বেলাশেষে’ আর ‘বেলা শুরু’। দুটোতেই আমরা বাবা-মেয়ে। এই দৃশ্য বাঙালি বোধহয় ভুলতে পারবে না চট করে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বাংলাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালবাসতেন। বাংলার সৃষ্টি, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ভাষা, প্রেম, গর্ব তাঁর রক্তে, মজ্জায়। তাই আন্তর্জাতিক খ্যাতি পাওয়ার পরেও বাংলাকে ভালবাসতে কার্পণ্য করেননি।

 

অভিনেতার সঙ্গে ঋতুপর্ণার শেষ স্মৃতি ‘বেলাশুরু’ এবং ‘বেলাশেষে’

শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়: আমার কাছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় গুরুস্থানীয় ছিলেন। আমার অভিনয় করা থিয়েটার বা ছবি দেখে ঠিক-ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমনকি, সংগঠনের ব্যাপারেও সব সময় মাথার উপর ছিলেন তিনি। ফোন করে বাড়ি আসার ইচ্ছে জানালেই, অনায়াসে ডেকে নিতেন সৌমিত্র জেঠু। সব সময় সব সমস্যার সমাধানের উপায় বাতলে দিতেন। তাঁর দেওয়া পরামর্শই আমাদের সব সময় সেরা মনে হতো।

শঙ্কর চক্রবর্তী: ১৯৯২ সালে তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম কাজ। শেষ কাজ ‘বেলা শুরু’তে। সেখানে বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছি আমরা। কি অবলীলায় সব রকম চরিত্রে অভিনয় করতে পারতেন তিনি। যখন হাসপাতালে ভর্তি হলেন, ভেবেছিলাম লড়াই করে ফিরে আসবেন। সেটা আর হল না। আমি বিশ্বাস করি, উনি আমাদের আরও অনেক কিছু দিতে পারতেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেও আমি, শান্তিলাল ওঁর বাড়িতে গিয়েছিলাম। কত কথা হয়েছিল।

জয় গোস্বামী:  তিনি এমন একজন অভিনেতা যিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সঙ্গে, নাটকের মঞ্চেও একই ভাবে অভিনয় করেছেন। তার মধ্যেও নিজের কবি সত্তাকে জাগিয়ে রেখেছিলেন তিনি। এ বছর বইমেলাতেও তাঁর একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। সেটি খুবই উচ্চমানের ছিল।  এক মঞ্চে আমরা কবিতা পড়েছি। অভিনয়ের সঙ্গেই কবিতার জগতেও অসীম অবদান ছিল তাঁর। আনন্দ বাজার পত্রিকা 

 

 

 

Related Posts

Uncategorized

March 8, 2022
13
Uncategorized

টুকু-মুনির পরিষদের কমিটি গঠনের ঘোষনা। জেবিবিএর তিনটি কমিটি !

February 11, 2022
6
No Result
View All Result

Recent Posts

  • ছত্রভঙ্গের পর ফের শাহবাগ অবরোধে ইনকিলাব মঞ্চ, গুরুতর আহত অনেক
  • আমেরিকার সঙ্গে নির্বাচনের তিন দিন আগে ‘গোপন’ বাণিজ্য চুক্তির তোড়জোড় বাংলাদেশের
  • বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রি বন্ধ ! আরও পাকছে জট?
  • পাকিস্তানে আবার বিস্ফোরণ শিয়া মসজিদে !  নমাজের সময় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬৯, আহত ১৬৯
  • বাংলাদেশে নির্বাচনে অশান্তির আশঙ্কা ! মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল ট্রাম্প প্রশাসন

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version