সন্ধান২৪.কম ঃ দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর নিকি হ্যালি গত মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আগামী ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এক ভিডিও বার্তায় জাতিসংঘের সাবেক মার্কিন দূত এবং দক্ষিণ ক্যারোলাইনার দুই মেয়াদের গভর্নর নি¤্রতা নিকি হ্যালি বলেন, ‘আমি নিকি হ্যালি। ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। দলের কাছে এ বিষয়ে একটি ইমেলও পাঠিয়েছি।’
নিকি হ্যালি আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের জন্য নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রে এটিই সেরা সময়। দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সীমান্তে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আমাদের দেশ, আমাদের গর্ব এবং আমাদের উদ্দেশ্যকে আরও শক্তিশালী করার এটাই সেরা সময়।’
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে চলেছেন নি¤্রতা নিকি হ্যালি। আর নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি হতে চলেছেন, তাঁর রিপাবলিকান সহকর্মী আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
পঞ্জাবি বাবা-মায়ের সন্তান নিম্রতা এক সময়ে জাতিসংঘে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ছিলেন। আবার আমেরিকার দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নরও ছিলেন নিকি। রাজনীতিক হিসাবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। সেই নিকিই ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের অন্যতম মুখ হতে চলেছেন।
আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বছর ঘুরলেই। এখন থেকেই তার প্রস্ততি শুরু হয়েছে । রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে লড়ে ঠিক করবেন, কে চূড়ান্ত পর্যায়ের লড়াইয়ে যাবেন । ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিকি যেমন সেই লড়াইয়ে নামছেন, তেমনই আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টও ট্রাম্পও এ বছর আবার লড়াছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য। তবে ট্রাম্পের বয়স এখন ৭৬। নিকি ৫১। নিজেকে আমেরিকার নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসাবে তুলে ধরে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন নিকি।
নিকির পুরো নাম নি¤্রতা নিকি রণধাওয়া হ্যালি। জন্ম দক্ষিণ ক্যারোলিনাতেই। অর্থাৎ জন্মগত ভাবে আমেরিকারই নাগরিক তিনি। তবে নিকির বাবা-মা দু’জনেই ভারত থেকে আমেরিকায় এসেছিলেন অভিবাসী হিসাবে। বাবা অজিত সিংহ রণধাওয়া ছিলেন পঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নিকি বলেছেন, ‘‘আমি অভিবাসী বাবা-মায়ের গর্বিত সন্তান। কৃষ্ণাঙ্গ ছিলাম না। আবার শ্বেতাঙ্গও বলা যাবে না। আমি ছিলাম নিজের মতো। একেবারে আলাদা। কিন্তু আমার মা আমায় শিখিয়েছিলেন, এই পার্থক্যে মন না দিতে। বরং বলেছিলেন, কোথায় এ দেশের সঙ্গে আমার মিল তাতে মনোনিবেশ করতে।” এ ভাবেই নিজের প্রচারে আমেরিকার বর্ণবৈষম্যের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন তিনি। একই সঙ্গে জো বাইডেনের সরকারের বেশ কিছু নীতিরও সমালোচনা করেছেন নিকি।


