আ. লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষকে হতাশ করেছে: জিএম কাদের

সন্ধান২৪.কম : আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষকে হতাশ করেছে। এখন দেশের মানুষের আস্থার একমাত্র রাজনৈতিক শক্তি হচ্ছে জাতীয় পার্টি। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির দিকে এক বুক আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। আগামী দিনের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টিই দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে-জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের একথা বলেছেন ।

এ সময় শ্রাবণী চাকমা এবং রোহিনী ত্রিপুরার নেতৃত্বে ২০ জন উপজাতীয় নেতা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান তাদের স্বাগত জানান। এরপর খাগড়াছড়ি থেকে আসা জাতীয় পার্টির নেতারা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত করতে রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে খাগড়াছড়ি জেলা জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, বিএনপির যে অবস্থা তাতে কেউ আর দলটিতে যোগ দিতে চাচ্ছে না। আবার আওয়ামী লীগে কেউ ইচ্ছে করলেই যোগ দিতে পারছে না। তাই নতুন প্রজন্মের সামনে রাজনীতির জন্য জাতীয় পার্টি একমাত্র সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক মঞ্চ।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বলয় থেকে মুক্ত হতে চায় দেশের মানুষ। তাদের সামনে সম্ভবনাময় একমাত্র দল জাতীয় পার্টি। তাই আগামী নির্বাচনের আগেই দলকে আরও শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান জাতীয় পার্টি মহাসচিব।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, খাগড়াছড়ি জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক বাবু মনীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক কেশব লাল দেব, জেলা জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা শাহবাজ উদ্দিন, আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা জেলা নেতা কংজুরী কর্মকার, আবুল কাশেম, জিল্লুর রহমান ও চন্দ্রি লাল ত্রিপুরা।

উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আখতার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া

 

Exit mobile version