করোনা প্রতিরোধে কার্যকর দুটি উপায়

যতটা সম্ভব বাড়ি থেকে না বের হওয়া। আর যদি বের হতেই হয় তাহলে অন্য মানুষদের চাইতে অন্তত দুই মিটার বা ৬ ফিট দূরে থাকা।

ঠিক এই দুই মিটার দূরত্বে থাকার কথাই কেন বলছেন বিশেষজ্ঞরা? কারণ হলো- লোকের হাঁচি-কাশি থেকে বাতাসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে আপনার দেহে ঢুকে পড়ার ঝুঁকি অনেকখানি কমে যায়, যদি আপনি কমপক্ষে একটা নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকতে পারেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের দুটি প্রধান লক্ষণ হলো- জ্বর এবং ঘন ঘন শুকনো কাশি।

হাঁচি-কাশির সঙ্গে একজন মানুষের মুখ দিয়ে সবেগে বেরিয়ে আসে অগণিত পানির বিন্দু মিশ্রিত বাতাস, যে বাতাসটা আসছে ফুসফুস থেকে।

আর করোনাভাইরাস বাসা বাঁধে তার শরীরের আর কোথাও নয়, এই ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রেই।

যেহেতু এখন পর্যন্ত করোনার স্বীকৃত কার্যকরী প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন নেই, সেক্ষেত্রে সচেতনতাই হতে পারে প্রথম প্রতিরোধ। ⛘

Exit mobile version