সন্ধান২৪.কম : নির্বাচনি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার দায়ে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছেন একজন ভোটার।
রবিবার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টে রিট করেছেন বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় ভোটার আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া। আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া জানান, একই গ্রাউন্ডে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে সাড়া না পেয়ে তিনি এই রিট করেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে— হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলেও এ বিষয়ে তাদের কোনও করণীয় নেই। এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। আদালতে প্রমাণিত হলে স্পিকার তার পদ শূন্য করতে পারেন।
কুয়েতে গ্রেফতার পাপুলের ফৌজদারি অপরাধে কুয়েতের আদালতে দুই বছরের বেশি সাজা হলে বাংলাদেশে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে বলে মনে করেন আইনজ্ঞরা।
কুয়েতে গ্রেফতার পাপুলের সংসদ সদস্য পদ থাকা না থাকার বিতর্কের মাঝেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যাপারে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে তার সদস্যপদ বাতিল চেয়ে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্থায়ী বাসিন্দা আবুল ফয়েজ ভূইয়া।
গণমাধ্যমে পাপুলের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসি বরাবর লেখা চিঠিতে বলা হয়— ‘মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুল তার নির্বাচনি হলফনামায় স্নাতকোত্তর পাস উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সার্টিফিকেট প্রদান করেন স্নাতক ডিগ্রির। তিনি কখনও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের ডিগ্রি অর্জন করেননি। সেখানে স্নাতক ডিগ্রির যে সার্টিফিকেট জমা দেওয়া হয়েছে, তা ভুয়া এবং বানোয়াট।


