সন্ধান২৪.কমঃ বিএনপি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে এনেছে । তবে যেহেতু তিনি শর্ত সাপেক্ষে মুক্তিতে আছেন, এ কারণে সরকার অনুমতি দিলেই কেবল বিদেশে রওনা করতে পারবেন। সোমবার (৩) মে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার দলের নেত্রীর চিকিৎসা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে কথা বলেছেন।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নির্ধারণের পাশাপাশি গুছিয়ে আনা হয়েছে পারিবারিক অন্যান্য প্রস্তুতিও। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য নিয়োজিত চিকিৎসকেরা দফায় দফায় তার শারীরিক পরীক্ষা ও মানসিক অবস্থা নিরীক্ষা করছেন।
সোমবার (৩ মে) মধ্যরাত পর্যন্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিএনপির উচ্চপর্যায়ে কয়েকজন ও খালেদা জিয়ার চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত না হওয়ায় খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোনও অগ্রগতি নেই। আর একইসঙ্গে পারিবারিক ও দলীয়ভাবেও দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চলতি এপ্রিলে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করা হয়েছে।
প্রস্তুতি সম্পন্ন, অপেক্ষা অনুমতির
বিএনপির উচ্চপযার্য়ের একাধিক নেতা জানান, খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করা হয়েছে। দেশের একটি খ্যাতনামা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এ প্রক্রিয়াটি বেশ এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া পারিবারিকভাবে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারা যাবেন, এ বিষয়টিও ঠিক করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার পরিবারের কেউ উদ্ধৃত হতে রাজি হননি।
যদিও খালেদা জিয়াকে কোন দেশে নিয়ে যাওয়া হবে, এ নিয়ে কেউই মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে তার ছেলে তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পরিবার লন্ডনে থাকায় সেখানে নেওয়ার বিষয়টিই বেশি আলোচনায়। নাম প্রকাশে একাধিক নেতা এটাও ধারণা করছেন, সিঙ্গাপুর বা ব্যাংককেও নেওয়া হতে পারে বেশি জটিলতা থাকলে।