নিউইর্য়ক ঃ গাইবান্ধায় নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা,সাংবাদিক ও সংস্কৃতি সংগঠক মাহমুদুল গণি রিজনের মৃত্যুতে শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন নিউইর্য়কে গাইবান্ধা প্রবাসী সিপিবি গাইবান্ধা জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি শাহনেওয়াজ টুকু,বিশিষ্ট সংগঠক একেএম শওকত আলী,গাইবান্ধা পৌরসভার সাবেক কমিশনার নাজমা শওকত,যুক্তরাষ্ট্র গাইবান্ধা সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তাকুর রহমান রেজভী, সাংস্কৃতিক কর্মী জিয়াউর রহমান হেনরি, গাইবান্ধা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মাহমুদা বেগম মনি, ক্রীড়া সংগঠক মাহির উদ্দিন চুন্নু, নাট্য ও সঙ্গীত শিল্পী মতলুবর রহমান রেজা, গাইবান্ধা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রহমান তরফদার তুষার, গাইবান্ধা ছাত্র ইউনিয়ন সাবেক নেতা শফিউল আজম, গাইবান্ধা জেলা মহিলা পরিষদের সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রতীমা রাণী সরকার,হোসনে আরা বেগম রত্না, নাট্যকর্মী দীলিপ মোদক, সঙ্গীত শিল্পী মুক্তি সরকার ও গাইবান্ধা একতা পাঠক ফোরামের সাবেক সদস্য সচিব সনজীবন কুমার ।

এছাড়াও উদীচী যুক্তরাষ্ট্র সংসদও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।
রিজন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি,গাইবান্ধা থিয়েটারের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, একতা পাঠক ফোরাম গাইবান্ধার সদস্য সচিব, কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
গাইবান্ধা শহরের মধ্যপাড়ার মৃত সুজা-উদ-দৌলা বাদশা মিয়ার তৃতীয় পুত্র গণি রিজন (৫২) মঙ্গলবার সকালে হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইসলামিয়া হাইস্কুল মাঠে নামাজে জানাযা শেষে পৌর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে দুপুরে সিপিবি জেলা কার্যালয়ে ও উদীচী কার্যালয়ে তার মরদেহে পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
রিজন ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারী গাইবান্ধা সদরের ঘাগোয়া ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রাম জন্মগ্রহণকরেন। নিঃসন্তান রিজন দীর্ঘদিন ধরে জেলা শহরের মধ্যপাড়ায় নিজ বাড়িতে স্কুল শিক্ষক স্ত্রীশাপলাকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।