সন্ধান২৪.কম ওয়েবডেস্ক: সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে অনু্ষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ)-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমি ইউরোপের ভাল চাই, কিন্তু তারা ঠিক দিকে যাচ্ছে না।” তাঁর সদর্পে ঘোষণা, গ্রিনল্যান্ড আমেরিকারই অংশ।
তাঁর গ্রিনল্যান্ড দখল করার ইচ্ছের বিরোধীতা করেছেন ইউরোপীয় নেতারা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেছেন। এই সব শুনেই দাভোসে ট্রাম্পের এই হুমকি।
নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে দাভোসে এসে পৌঁছন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প শুরু করেন এই বলে যে, ‘এত বন্ধু এবং কিছু শত্রুদের’ সামনে ভাষণ দিতে পেরে ভাল লাগছে। যা শুনে সভাকক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়।
এরপরেই ইউরোপীয় গোষ্ঠীকে নিশানা করে বলেন, “সত্যি বলতে, ইউরোপের কিছু জায়গা এখন আর চেনার উপায় নেই। সেগুলো আর চেনা যায় না। আমি চাই ইউরোপের ভাল হোক, কিন্তু তারা সঠিক পথে এগোচ্ছে না।”
ভেনেজুয়েলার প্রসঙ্গে ট্রাম্প অবলীলায় স্বীকার করেন যে আমেরিকা সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল কিনে নিয়েছে। ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, “ভেনেজুয়েলা অসাধারণভাবে ভাল করবে এবং দেশটি গত ২০ বছরের তুলনায় দ্রুতই আরও বেশি অর্থ উপার্জন করবে।”
ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি চান ব্রিটেন দুর্দান্ত কিছু করুক। এর পরেই তিনি ব্রিটেনের সবুজ শক্তি কৌশলের সমালোচনা করেন। ট্রাম্প সবুজ শক্তিকে একটি প্রতারণা বলেন। তিনি বলেন, তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা শক্তির উৎসের উপর বসে আছে, অথচ তারা সেটি ব্যবহার করছে না। তিনি মজা করে বলেন, শক্তি দিয়ে টাকা আয় করার কথা, হারানো নয়।”
তিনি উত্তর সাগরে তেল উত্তোলন বন্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন এবং বলছেন যে অতিরিক্ত করের কারণে কোম্পানিগুলি তেল উত্তোলনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। এরপর ট্রাম্প সবুজ প্রযুক্তি শিল্পে চিনের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, “আপনি চিনে কখনও কোনও বায়ুকল দেখতে পাবেন না। তারা কেবল বোকা মানুষদের এগুলি কিনতে রাজি করানোর জন্য এগুলি তৈরি করে।”
ট্রাম্প বলেন, “আমরা পারমাণবিক শক্তিতে ব্যাপক মনোযোগ দিচ্ছি। আমি এর আগে এর খুব একটা ভক্ত ছিলাম না, কারণ আমি ঝুঁকিটা পছন্দ করতাম না, বিপদটা পছন্দ করতাম না, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি নিয়ে তারা যে অগ্রগতি করেছে তা অবিশ্বাস্য, এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তারা যে অগ্রগতি করেছে তা অসাধারণ।”
