স্থানীয় কসাইরা বলেছে, গরুটির মাংস হতে পারে ১৮ মণ। চিতা বাঘকে দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়ছে। সবাই একনজর দেখতে চায় বিশাল আকৃতির গরুটিকে। আবার কেউ কেউ গরুর সঙ্গে সেলফি তোলেন ও ভিডিও করেন।
তিনি বলেন, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি চিতাবাঘকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওর আকৃতি বেড়েছে। চেহারা ও স্বভাবে সে এখন সত্যিই চিতাবাঘ। এলাকার কোনো গরু তার সঙ্গে যুদ্ধে পারে না। গরুর মালিক কায়নাত বলেন, এবার গরুর জন্য খড় সংকট ছিল। কষ্ট করে ৪ বছর ধরে গরুটি লালনপালন করে করোনার কারণে এবার দাম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি।
স্থানীয় কসাইরা বলেছে, গরুটির মাংস হতে পারে ১৮ মণ। চিতা বাঘকে দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়ছে। সবাই একনজর দেখতে চায় বিশাল আকৃতির গরুটিকে। আবার কেউ কেউ গরুর সঙ্গে সেলফি তোলেন ও ভিডিও করেন।
তিনি বলেন, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি চিতাবাঘকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওর আকৃতি বেড়েছে। চেহারা ও স্বভাবে সে এখন সত্যিই চিতাবাঘ। এলাকার কোনো গরু তার সঙ্গে যুদ্ধে পারে না। গরুর মালিক কায়নাত বলেন, এবার গরুর জন্য খড় সংকট ছিল। কষ্ট করে ৪ বছর ধরে গরুটি লালনপালন করে করোনার কারণে এবার দাম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি।
