সন্ধান২৪.কম : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের কর্মীদের কোপে ছাত্রলীগ নেতা শুভ শীলের (২০) ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ফজলে রাব্বি (২২) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে শহরের হাসপাতাল সড়কের ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায গতকাল দুপুরে হিন্দু যুব ঐক্য পরিষদ পৌরসভা শাখার উদ্যোগে শহীদ মিনারের সামনের সড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।
হামলার প্রতিবাদে রাতেই ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় মিছিলকারীরা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌসের বাসভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ছাড়া তাঁর গাড়ি ভাঙচুরেরও চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মিছিলকারীরা ফিরে যায়।
হামলার শিকার শুভ শীল মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের স্নাতক (অনার্স) প্রথমবর্ষের ছাত্র ও পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি শহরের দক্ষিণ মিঠাখালী মহল্লার শ্যামল চন্দ্র শীলের ছেলে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সংগঠনের মঠবাড়িয়া পৌরসভা শাখা বিপুল্ত করেছে। স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে চারজনকে। বহিষ্কৃতরা হলেন—শাকিল আহমেদ সাদি, তানভির মল্লিক, তৌফিক হাসান প্রান্ত ও কোরবান জুনায়েদ। তাঁরা সবাই মঠবাড়িয়া পৌর ছাত্রলীগের কর্মী। ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকায় ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাঁদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার আহমেদ মিলন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শুভ শর্মার সঙ্গে কারো তেমন কোনো ঝামেল ছিল না। মূলত সে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম রাজুর অনুসারী ছিল। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। শরিফুল ইসলাম রাজু মাদকাসক্ত। প্রায় সময় নেশা করে। আর সে কারণে হয়তো কারো সঙ্গে তার ঝামেলা ছিল। সেই সূত্র ধরে ছাত্রলীগের অন্য একটি পক্ষ শুভ শর্মার ওপর হামলা চালিয়েছে।’
যদিও পুলিশ বলছে, একটি মোবাইল ফোনসেট নিয়ে বিরোধের জের ধরে শুভ শীলের ওপর হামলা হয়েছে বলে তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। সুত্র : কালের কন্ঠ
