ছানু’র সংবাদ সম্মেলন

গত ২৪ মে সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি পদপ্রার্থী মাসুদুল হক ছানু’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদপ্রার্থী বদরুল খানের বিরুদ্ধে অনিয়মের একগাঁদা অভিযোগ এনেছিলেন। সেই অভিযোগ খন্ডন করার জন্য পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন বদরুল খান,জুয়েল চৌধুরী ও আতাউল গনি আসাদ।
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের কমিটির সভাপতি বদরুল খান,সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আতাউল গনি আসাদ গত ৩০ মে দুপুরে জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
এই সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ছানু’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সংবাদ সম্মেলনে যে আয়ের হিসেব তুলে ধরেছেন, তা সর্ম্পূণ মিথ্যা, ভিত্তিহীনি ও বানোয়াট। তারা অর্থ সংক্রান্ত ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে শুধু সভাপতি বদরুল খানকেই হেয় করেন নাই,সংগঠনের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুন্ন করেছেন। জালালাবাদবাসীকে বিব্রত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহি সংগঠন জালালাবাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় আমরা জালালাবাদবাসী বিব্রতবোধ করছি। কারণ আমাদের মেয়াদকালীন সময়ের সমস্ত কিছু পরবর্তী কমিটির সাধারণ সভায় ফয়সালা হয়েছে। তারা সংবাদ সম্মেলন না করে আলাপ-আলোচনা করেও বিষয়টি ফয়সালা করতে পারতেন। জুয়েল বলেন,২০১৯ সালে আমরা নতুন কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি। তারপরেও কোন অভিযোগ থাকলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে তা করা উচিত ছিল। জুয়েল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেন,আপনারা বদরুল খানকে নির্বাচিত করুন,তা হলে তার কাছে আবার জবাবদিহিতা করতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বদরুল খান বলেন,সংগঠনের সর্বোচ্চ আদালত হচ্ছে সাধারণ পরিষদ। সেখানেই সব কিছু ফয়সালা করা সম্ভব। আমরা আমাদের সময়কালের সব হিসাব-নিকাষ সাধারণ সভায় উত্থাপন করেছি। সেখানেই সব ফয়সালা হয়ে গেছে। আমরা দায়িত্ব আমাদেও পরবর্তী কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছি। কিন্ত তারা একমাত্র আমাকে আক্রমন করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন,যা সংগঠন বিরোধী কাজ।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ আতাউল গনি আসাদ বলেন,আমরা যখন দায়িত্ব পেয়েছি,তখন আমাদের আগের কমিটি (জন-জিলু) কোন ব্যাংক একাউন্ট আমাদেরকে দিয়ে যান নাই। আমাদের কমিটি বাংক একাউন্ট করে সেই একাউন্টের হিসেব আমরা আমাদের পরবর্তী দিয়েছি।
তিনি মাসুদুল হক ছানু’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি টাকার যে খাত উল্লেখ করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া।

Exit mobile version