ছয় গোলের ম্যাচে আবাহনীর চার, মোহামেডানের দুই

৯০ মিনিটের ম্যাচ। কিন্তু সব রস, উত্তেজনা ফুরিয়ে যায় প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটেই। কারণ আবাহনী ও মোহামেডানের ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় প্রথমার্ধের ছয় গোলে। বুধবার কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ম্যাচে ১০ জনের আবাহনী ৪-২ গোলে হারিয়েছে সাদা-কালোদের। রাজশাহীতে উত্তর বারিধারাকে ৩-২ গোলে হারায় পুলিশ।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে মৌসুমে দুই লেগেই জিতল মারিও লেমোসের দল। সিলেটে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আবাহনী জিতেছিল ১-০ গোলে। ঘরোয়া ফুটবলের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের লড়াইয়ে আরও এগিয়ে গেল আবাহনী। ২৯ সাক্ষাতে মোহামেডান আটকে আছে মাত্র পাঁচ জয়ে। আবাহনীর জয় ১৩টি। কাল কুমিল্লার ভাষা শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম মোহামেডানের হোম ভেন্যুতে প্রথম ১০ মিনিট দাপট ছিল আবাহনীর।

বিশেষ করে দুই বিদেশি কোস্টারিকান দানিয়েল কলিনদ্রেস এবং ব্রাজিলিয়ান দরিয়েলতন গোমেজকে আটকানোর কোনো উপায়ই খুঁজে পায়নি মতিঝিল পাড়ার ক্লাবটি। ৩ মিনিটে দুই গোল করে আবাহনী ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলে দেয়। দরিয়েলতন দুটি এবং কলিনদ্রেস ও ইমন মাহমুদ একটি করে গোল করেন। মোহামেডানের দুই গোলদাতা মালির ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক সুলেমান দিয়াবাতে এবং ইমন শাহরিয়ার।

ম্যাচের ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে রেজাউল করিম রেজা মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আবাহনী। তাতে অবশ্য ক্ষতি হয়নি তাদের। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি মোহামেডান। ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী। ১১ বছর পর সাদা-কালোদের হাল ধরা কোচ শফিকুল ইসলাম মানিকের শুরু হলো হার দিয়ে। এই জয়ে ১৫ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই থাকল আবাহনী। সমান ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে মোহামেডান।

এদিকে রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে পুলিশ কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে। উত্তর বারিধারাকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে তারা। পুলিশের আফগান ফরোয়ার্ড আমিরউদ্দিন শরিফি দুটি ও ব্রাজিলিয়ান দানিলো অগস্তো একটি গোল করেন। বারিধারার হয়ে আইভরিকোস্টের ইউসুফ মরি বাম্বা ও উজবেক ইয়োগজেনি কচনেভ একটি করে গোল দেন। ১৬ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানেই রইল পুলিশ। সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে বারিধারা।

Exit mobile version