সন্ধান ২৪.কম : বরগুনার আমতলী থানা পুলিশ ডিসকভারি চ্যানেল দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে দ্বীপে বসবাস করার উদ্দেশ্যে ঘর পালানো তিন শিশুকে উদ্ধার ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে । । পরে উদ্ধারকৃত শিশুদের পরিবারের কাছে তুলে দেয়া হয়েছে। শিশুদের অভিভাবক মিজানুর রহমান, ফারুক হোসেন ও সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদেশী টিভি চ্যানেলের অ্যাডভেঞ্চার সিরিজগুলো দেখে তারা উৎসাহি হয়ে পোকা মাকড় খেয়ে দ্বীপে বসবাস করবে বলে বাড়ি ছেড়েছিল।

জানা যায়, নীলফামারীর বড়গাছা ও নরসিংদির মো. ফারুক হোসেনের পুত্র মিয়াদ (৯), মো. রেজাউল ইসলামের পুত্র তন্ময় (১৩) ও মো. মিজানুর রহমানের পুত্র মুন্না (১৩) ডিসকভারি টিভি চ্যানেল দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে পোকা মাকড় খেয়ে দ্বীপে বসবাস করবে বলে বাড়ি থেকে গত সোমবার পালিয়ে আসে। এ তিন শিশুকে আমতলী থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাত ৮টায় সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা যাওয়ার পথে আমতলী লঞ্চঘাট থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে রাখে। পড়ে অভিভাবকদের খবর দেয়া হয়। তারা এসে বুধবার শিশুদের বাড়ি নিয়ে যান।
আমতলী থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন মিলন বলেন, নীলফামারী জেলার বড়গাছা ও নরসিংদীর ঘর পালানো তিন শিশুকে উদ্ধার করে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরগুনার আমতলীতে উদ্ধার হওয়া তিন শিশুকে থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিভাবকদের কাছে স্তান্তর করেছে। ওই শিশুরা সোমবার নীলফামারী ও নরসিংদির বাড়ি থেকে পালিয়ে আমতলী আসে।
আমতলী থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন জানিয়েছেন, নীলফামারী জেলার বড়গাছা থানা ও নরসিংদি জেলার গাবতলী থানার তিন শিশু মিয়াদ (৯), তনয় (১৩) ও মুন্না (১৩) বাড়ি থেকে পালিয়ে কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার পথে আমতলী থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হেফাজতে রাখে। পড়ে অভিভাবকদের খবর দেয়া হলে তারা এসে শিশুদের বাড়ি নেয়ে যান।
শিশুদের অভিভাবক মিজানুর রহমান, ফারুক হোসেন ও স্ইাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিসকভারী টিভি চ্যানেলের অ্যাডভেঞ্চার সিরিজগুলো দেখে তারা উৎসাহী হয়ে পোকা-মাকড় খেয়ে জঙ্গলে বাস করার উদ্দেশ্যে বাড়ি ছেড়েছিল।