সন্ধান২৪.কমঃ আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে অসদাচরণ করায় সাকিবকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন ম্যাচ রেফারি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে অনাকাঙ্কিত আচরণ করা সাকিবও সে শাস্তি মেনে নেওয়ায় এ ঘটনায় আর কোনো শুনানি হবে না। এদিকে তার এই খারাপ আচরণে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন সাকিব।


ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান কাজী ইনাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান। বলেন, শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান লেভেল ৩ পর্যায়ের অসদাচরণ করেছেন, তাও দু’বার। তাই তার ওপর নেমে এসেছে এ শাস্তি।


নিয়মানুযায়ী এ পর্যায়ের অসদাচরণ একবার করলে শাস্তি হতে পারে এক ম্যাচ থেকে দুই ম্যাচ, জরিমানা হবে কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু একই ম্যাচে দ্বিতীয়বার করা হলে শাস্তির পরিমাণ দাঁড়াবে দুই থেকে ৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে সাকিব পেয়েছেন সবচেয়ে কম শাস্তিটাই। প্রথম অসদাচরণের জন্য পেয়েছেন এক আর দ্বিতীয়টার জন্যে দুই, সর্বমোট তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাকে।
আজ শনিবার বেলা দুইটার দিকে ম্যাচ রেফারি মোরশেদুল আলমের পাঠানো শাস্তির নোটিশ হাতে পান সাকিব। চিঠিতে সাকিবের বিরুদ্ধে লেভেল-৩ পর্যায়ের আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ এনে তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ৩ ম্যাচের বহিষ্কারাদেশ দিয়েছেন ম্যাচ রেফারি। সাকিব অপরাধ স্বীকার করে নিয়ে চিঠিতে স্বাক্ষর করে দেওয়ায় এই শাস্তিই বহাল থাকবে। শাস্তির ব্যাপারে আপত্তি থাকলে শুনানিতে ডাকা হতো তাঁকে।
একই ম্যাচে লেভেল-৩ পর্যায়ের অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে সেটির শাস্তি ২ থেকে ৫ ম্যাচের বহিষ্কারাদেশ ও জরিমানা কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা। দুই অপরাধের জন্যই ন্যূনতম ম্যাচে বহিষ্কার করা হয়েছে সাকিবকে। প্রথম অপরাধের জন্য ১ ম্যাচ ও দ্বিতীয় অপরাধের জন্য ২ ম্যাচ।


