Thursday, February 26, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home প্রধান খবর

দক্ষিণ এশিয়ায় বৃহৎ পরিসরে যুক্ত হচ্ছে আমেরিকা?

June 4, 2022
in প্রধান খবর, যুক্তরাষ্ট্র
Reading Time: 1 min read
0
0
0
SHARES
1
VIEWS
Share on Facebook

নেপালের পত্রিকা কাঠমান্ডু পোস্ট এবং অন্যান্য স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা আগামী মাসের কোনো এক সময় ওয়াশিংটন সফর করতে পারেন। সেক্ষেত্রে, ২০০২ সালের পর এই সফরটি হবে কোন ক্ষমতাসীন নেপালি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ওয়াশিংটন সফর। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাঠমান্ডুতে বেশ কয়েকটি ঝটিকা সফরের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর এই সফরটির আয়োজন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর (বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপ) মধ্যে উচ্চ-পর্যায়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির পরই নেপালি প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। যা ওয়াশিংটনের তরফে বড় ধরনের পরিবর্তনকেই দেখাচ্ছে। দেশটি সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এই অঞ্চলে তার বেশিরভাগ কূটনৈতিক মনোযোগ ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানেই ধরে রেখেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বিখ্যাত ‘ফরেন পলিসি’ ম্যাগাজিনের নিয়মিত ‘সাউথ এশিয়া বৃফ’ এ দেশটির প্রভাবশালী নীতি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের এশিয়া কর্মসূচির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট মাইকেল কুগেলম্যান আরো লিখেছেনঃ

হোয়াইট হাউসের নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন হয়েছে এমনটা ধরে নেওয়ার সময় এখনো আসে নি। বাইডেন প্রশাসন এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নিজের কৌশলও ঘোষণা করেনি। এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ বৃদ্ধি একক কিছু অনুষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত, যেমন কূটনৈতিক সম্পর্কের বিভিন্ন বার্ষিকী উদযাপন। যাই হোক, ক্রমবর্ধমান চীনা প্রভাব, এখন দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত যা ওয়াশিংটনকে এ অঞ্চলে আরও বিস্তৃতভাবে জড়িত হওয়ার জন্য আরও বেশি কৌশলগত প্রেরণা যোগাচ্ছে।

এ বছর যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের ৫০ তম বার্ষিকীর কারণেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে. আব্দুল মোমেন বৈঠকে বসেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র-নেপাল সম্পর্কের ৭৫ তম বার্ষিকীও এ বছর। দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনীতির ফোকাস মার্কিন মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ কর্পোরেশন (MCC) এর একটি অনুদানের উপর পড়েছে, যেটি নেপালের সংসদ অনেক বিলম্বের পর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুমোদন করেছে।

এ জাতীয় সময়গুলো শেষ হয়ে গেলে ঢাকা ও কাঠমান্ডুর সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক কিছুটা গতি হারাতে পারে।

কিন্তু, চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা আরও বেশি দীর্ঘস্থায়ী সম্পৃক্ততার পক্ষেই যুক্তি তুলে ধরে। যেমনটি আমি গত সপ্তাহে লিখেছিলাম, বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান নৌশক্তি ভারত মহাসাগর অঞ্চলে উপস্থিতি বাড়িয়েছে, পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিজের পায়ের ছাপ আরও গভীর করেছে। বাইডেন প্রশাসন চেয়েছিল নেপাল এমসিসি অনুদানকে আংশিকভাবে অনুমোদন করুক কারণ তারা এই প্যাকেজটিকে নেপালে চীনের অবকাঠামোগত সহায়তা মোকাবিলার উপায় হিসেবে দেখছিল।
যুক্তরাষ্ট্র যে দক্ষিণ এশিয়াকে এই কৌশলগত প্রতিযোগিতার জন্য একটি নতুন যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে দেখছে সেটার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সময় থেকেই। ওই সময়ই প্রথম ইন্দো-প্যাসিফিক নীতিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বিস্তৃত পরিসরে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতার শেষদিকে মালদ্বীপে চীনা প্রভাবকে ঠেকাতে দেশটির রাজধানী মালেতে মার্কিন দূতাবাস খোলার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করে।

বাইডেন প্রশাসনের লক্ষ্যও একই বলে মনে হচ্ছে। গত বছর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতিমালাবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি কলিন কাহল মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহীদের সাথে চীনকে মোকাবিলায় “ইন্দো-প্যাসিফিকে অভিন্ন স্বার্থের অগ্রগতি” নিয়ে কথা বলেন। মার্চ মাসে রাজনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডের বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলঙ্কা সফরকে নিয়েও স্টেট ডিপার্টমেন্ট একই ধরনের কথা বলেছিল।

যাই হোক, দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরো অধিক মাত্রায় সম্পৃক্ত হওয়ার পেছনে আরেকটি জরুরি কারণ রয়েছে। সেটি হচ্ছে- জলবায়ু সংকট।

Related Posts

যুক্তরাষ্ট্র

এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ : আমেরিকায় বাবার সঙ্গে আটক দু’বছরের মেয়ে ডিটেনশন সেন্টারে !

January 28, 2026
5
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কসহ  যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ তুষার ও শীতকালীন ঝড় !  ১০ অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

January 23, 2026
6
No Result
View All Result

Recent Posts

  • নিউইয়র্কে একুশে উপেক্ষিত ! বাংলাদেশ সোসাইটি,কনস্যুলেট অফিসসহ কেউ দায়িত্ব পালন করছে না
  • ছত্রভঙ্গের পর ফের শাহবাগ অবরোধে ইনকিলাব মঞ্চ, গুরুতর আহত অনেক
  • আমেরিকার সঙ্গে নির্বাচনের তিন দিন আগে ‘গোপন’ বাণিজ্য চুক্তির তোড়জোড় বাংলাদেশের
  • বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রি বন্ধ ! আরও পাকছে জট?
  • পাকিস্তানে আবার বিস্ফোরণ শিয়া মসজিদে !  নমাজের সময় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬৯, আহত ১৬৯

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version