অভয়নগরের মাগুরা গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয় তাঁকে। পিংকি বকসী মাগুরা গ্রামের চৈতন্য বকসীর স্ত্রী। পিংকি বকসীর ছেলে নিখিল বকসী বলেন, আমার মা মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ২০০২ সালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন। সেই সময় মায়ের বয়স ছিল আনুমানিক ৬৫ বছর। বছরের পর বছর খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান পাওয়া যায়নি মায়ের। দীর্ঘ ১২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর ভেবেছিলাম ‘মা’ মারা গেছেন। আজ মাকে ফিরে পেয়েছি, আমি আনন্দে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
কিভাবে মাকে ফিরে পেলেন জানতে চাইলে তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, শনিবার যশোরের মনিরামপুর উপজেলার চিনেটোলা বাজারে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধা নারী সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে চিনেটোলা বাজার এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করি।
এসময় জানতে পারি, অজ্ঞাতনামা ওই নারী তাঁর বাড়ির কথা বলছেন অভয়নগরের মাগুরা গ্রামে। এমন খবর পাওয়ার পর রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে আমি আমার হারিয়ে যাওয়া মাকে দেখতে পায়। উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। মাকে ফিরে পেয়ে আমি আমার পৃথিবী ফিরে পেয়েছি। এ ব্যাপারে প্রেমবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হারিয়ে যাওয়া মাকে ১৮ বছর পর ফিরে পেয়েছে, এমন খবর জানতে পেরে শত শত মানুষ পিংকি বকসীকে দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় করছে। আমিও দেখে এসেছি।
