সন্ধান২৪.কমঃ শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তকে জুতার ২০টি বাড়ি দিয়েই এক গ্রাম্য সালিসে বিচার শেষ করা হয়েছে। এদিকে ধর্ষণে অভিযুক্ত দুদু মিয়া খাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর সালিসে উপস্থিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য, মাতবর এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণে অভিযুক্ত দুদু মিয়া খাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৯ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মোকসেদ মাদবরের বাড়িতে ভুক্তভোগী পরিবারের অনুপস্থিতিতে সালিসের আয়োজন করেন এলাকার কিছু মাতবর। উপস্থিত সালিসকারী-মাতবররা সেই ভিডিও মোবাইল ফোন থেকে ডিলিট করে দেন এবং জুরিবোর্ডের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুদুকে ৫০টি জুতার বাড়ি দেওয়ার রায় ঘোষণা করেন। ৩০টি মাফ করে দিয়ে জুতার ২০টি বাড়ি দেওয়া হয় দুদুকে। ইউপি সদস্য জসিম সরদার, মোকসেদ মাদবরসহ স্থানীয় সালিসকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাজিরায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের চরলাউখোলা বালিয়াকান্দি গ্রামের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন সরদার (৩৮), মোকসেদ মাদবর (৫০) এবং ভিডিও ধারণকারী নয়ন মোড়ল (২৪)।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ জাজিরা থানায় একটি মামলা করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তিনজন গ্রেপ্তার হন। জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে স্বামীর অনুপস্থিতিতে এক গৃহবধূকে তাঁর ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করেন দুদু মিয়া। আর এ ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন স্থানীয় নয়ন মোড়ল।


