সন্ধান২৪.কম : গত ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নিউইয়র্ক স্টেট শাখা কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় সন্ধায় এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি’র সভাপতি মোহাম্মদ অলি উল্লাহ আতিকুর রহমান, সভা পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ, আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য রফিকুল ইসলাম দুলাল, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ সোলাইমান ভূইয়া। বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক ছাত্রনেতা মার্শাল মুরাদ, সাবেক যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মো: আনোয়ারুল ইসলাম, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর এম. আলম, সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জাহাঙ্গীর আলম, আমানত হোসেন আমান, আমিনুর রহমান খোকন, শহিদুল ইসলাম সিকদার, এনামুল কবির অপু, মো: হুমায়ুন কবির, মোস্তাক আহমেদ, আবুল কামাল, দেওয়ান কাউসার, নিউইয়র্ক স্টেট যুবদলের সভাপতি কাজী আমিনুল ইসলাম স্বপন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আজাদ ভূঁইয়া, বি.এম. বাদশা, খলকুর রহমান, ফয়সল মাহমুদ, আরিফুর রহমান, শরীফ চৌধুরী পাপ্পু, মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মশিউপর রহমান, মো: জসিম উদ্দিন, মো: ইয়াকুব আলী, মো: রুহুল আমিন, মো: মোতাহার হোসেন, তোফায়েল আহমেদ, মোফাজ্জল ভূঁইয়া, ফিরোজ হায়দার হারুনুর রশিদ, আতাউর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, এমদাদুল ইসলাম, শাহজাহান সাজু, ইফসুফ আলী তালুকদার, কামাল উদ্দিন, আবু মিয়া, নুরুন নবী চৌধুরী, আবু সালেহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- জাতীসত্ত্বা ও বিবেকের তাড়নায় বাংলাদেশের দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ অভ্যূত্থানের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক রনাঙ্গনের সকল সৈনিক সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জিয়াউর রহমানকে ব্যারাক থেকে উদ্ধার করে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার দ্বার উম্মোচিত করেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী সরকার দেশকে এক মহা দূর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্ত থেকে উদ্ধার ও বাকশাল থেকে গণতন্ত্রের পথে দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করার পদক্ষেপই ছিল ৭ নভেম্বরের লক্ষ্য।
বক্তাগণ আরও বলেন, ৭ই নভেম্বরের মাধ্যমে বাকশালীদের মাঝ থেকে ফিরে আনা গণতন্ত্র আজ আবারও গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।