নিউইয়র্কে কৃষ্ণাঙ্গকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ জো বাইডেনকে সমর্থন ৮১ মার্কিন নোবেলজয়ীর

বিক্ষোভ দমাতে এবার অর্থ বন্ধের খড়্‌গ ট্রাম্পের

সন্ধান২৪.কম : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার একেবারে নির্দেশনামায় সই করলেন, আর কোনো হুমকি-ধমকি নয় । আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে ফেডারেল ফান্ড বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল শহরগুলো কেন্দ্রীয় এই সাহায্য বন্ধের হুমকির মধ্যে পড়ল। তার মধ্যে অন্যতম পোর্টল্যান্ড, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, সিয়াটল। 

এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘আমার প্রশাসন করদাতাদের পয়সা ওই সব শহরে দেবে না, যেগুলো আইনশৃঙ্খলাহীন অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।’ এর পাশাপাশি অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারকেও বলা হয়েছে, ‘যেসব শহরে সহিংসতা হয়েছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উদ্যোগী হোন।’

এদিকে, গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে উইলিয়াম বার জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ বর্ণবাদী নয়। আর যারা প্রতিবাদ আন্দোলন চালাচ্ছে, তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। তারা কোথায় যাচ্ছে, দাঙ্গার আগে কী অস্ত্র কিনছে, সে সবই নজরে আছে।’

এছাড়া ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ হচ্ছে। নিউইয়র্কের গভর্নর টুইট করে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিউইয়র্ককে শাস্তি দিতে চাইছেন। কিন্তু তিনি রাজা নন। তিনি কিছুতেই নিউইয়র্ককে অর্থ দেয়া বন্ধ করতে পারেন না। এটা বেআইনি কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়।’ পোর্টল্যান্ডের মেয়র বলেছেন, ‘ট্রাম্প আবার শহরগুলোকে টার্গেট করছেন। তিনি নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী।’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে বর্ণবাদ; বিশেষ করে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েডের মৃতু্য, জ্যাকব বেস্নককে সাতটি গুলি নির্বাচনী প্রচারের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের একটা অংশ যে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত পছন্দ করছে না, সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে সেটাও স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু ট্রাম্প আর এ নিয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে রাজি নন। তিনিও আইনশৃঙ্খলাকে নির্বাচনী বিষয় করে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই তিনি কেনোশা গিয়ে পুলিশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শহরে যে জায়গায় সহিংসতা হয়েছিল, সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে এসেছেন। তারপরই এই নির্দেশ। কেনোশা ও পোর্টল্যান্ডে ট্রাম্পের সমর্থকরাও বিক্ষোভ মোকাবিলা করতে শুরু করে দিয়েছে।

 

 

Exit mobile version