সন্ধান২৪.কম : জেলা নির্বাচন কমিশন আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ।নিক্সন চৌধুরীর প্রশ্ন , ‘আমার একটাই কথা, অডিও ক্লিপটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করলো কে ? আদালতে এই মামলার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন নিক্সন চৌধুরী।
নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘আমার একটাই কথা, অডিও ক্লিপটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করলো কে? আমার এবং চরভদ্রাসনের ইউএনও’র ফোনালাপ প্রশাসনিক কারণে ডিসির কাছে দেয়া হতে পারে। কিন্তু সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিভাবে এসেছে তার জবাব ইউএনও বা ডিসি কেউই স্পষ্ট করে দিচ্ছেন না। আমি সাংবাদিকদের অনুরোধ জানাবো তাদের কাছ থেকে এই প্রশ্নের উত্তর জেনে নিতে। এই অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা হওয়া উচিৎ। মামলা হলে শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, ফরিদপুরের ডিসি এবং চরভদ্রাসনের ইউএনও’র বিরুদ্ধেও হওয়া উচিৎ।’
তিনি বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে কেনো মামলা হচ্ছে না? তিনি নির্বাচনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমার এলাকার ইউএনও-কে আমার বাসায় পাঠিয়েছেন। এটি কী আচরণ বিধি লঙ্ঘন নয়? তাহলে তার বিরুদ্ধেও একটি পৃথক মামলা হওয়া উচিৎ। আশা করছি নির্বাচন কমিশন এই বিষয়টি আমলে নিয়ে পৃথক একটি মামলা করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনা আছে, কারও ফোনের রেকর্ড সোশাল মিডিয়ায় দেওয়া যাবে না। আমার টিএনও এতো বোকা না যে, তিনি আইনের লোক হয়ে আইন ভঙ্গ করে সোশাল মিডিয়াতে এটা দিয়ে ভাইরাল করবে। শুনেছি সাংবাদিকরাও জেলা প্রশাসককে জিজ্ঞেস করেছে; অডিও ক্লিপ লিক হলো কিভাবে? তিনি উত্তর দিয়েছেন- ‘কে বা কাহারা লিক করেছেন, আমি জানি না।’ আমার একটাই কথা ডিসির কাছে যে অডিও ক্লিপ আছে সেটা ভাইরাল হলো কিভাবে? আইনগতভাবে সেটাতো লিক করতে পারে না। জনপ্রতিনিধিরা বক্তব্য দিলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়। তারা হাইকোর্টের আদেশ অবমাননা করলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয় না?
উল্লেখ্য ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার উপ নির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হয়েও নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন জানান নিক্সন চৌধুরী। বিষয়টি নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতা করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলও চাওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে নিক্সন চৌধুরীর সমর্থনে নৌকা মার্কা জয়ী হয়।


