পড়ানোর নামে একের পর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি

bangladesh head master alleged for sexual abuse with his students
অভিযুক্ত শিক্ষকের ‘কাজ’
সন্ধান২৪.কম :  বাংলাদেশের এক প্রধান শিক্ষককে নিয়ে রীতিমতো শোরগোল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছাত্রী পড়ানোর নামে একের পর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে । অভিযুক্ত ওই শিক্ষক বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল হক সরদার। তিনি ওই স্কুলের পাশেই ঘর ভাড়া নিয়ে ছাত্রীদের পড়াতেন।
 কোচিং সেন্টারে পড়ানোর নামে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন ওই শিক্ষক। অভিযোগ এমনই। এ বিষয়ে ৬ মিনিটের একটি পুরোনো ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োর ভিত্তিতেই নেটিজেনরা অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন।
ভাইরাল ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, একটি ঘরে অভিযুক্ত শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রীকে পড়াচ্ছেন। আর পড়াতে-পড়াতেই তিনি ছাত্রীদের নানান স্পর্শকাতর স্থানে হাত রাখছেন। এমনকী ছাত্রীর ঠোঁট টেনে নিজের মুখের কাছে আনছেন। স্বাভাবিক কারণেই ছাত্রীরা বিব্রত বোধ করছে। আর তিনি বেত হাতে নিয়ে তাদের সামনে ঘোরাঘুরি করছেন।
 ওই কোর্চিং সেন্টারে পড়তে আসা ছাত্রীদের যৌন হয়রানির এই ভিডিয়োটি ২০১৬ সালের জুন মাসের। সেই সময়ও ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছিল। তখনও এ নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছিল। করোনা আবহে ফের ওই ভিডিয়ো নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষক নুরুল হকের ওই আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে বরিশাল মহিলা পরিষদ ও মহিলা অধিদপ্তরের নেতৃবৃন্দরা ২০১৬ সালেই প্রশাসনের কাছে শাস্তি দাবি করেছিল। পরে স্থানীয় প্রশাসনের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঝুমুর বালার মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সেইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রক থেকেও ওই বছরের জুলাই থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তাঁকে ওই বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। যদিও ২০১৯ সালের মে মাসে অভিযুক্ত শিক্ষক বেতন-ভাতা চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রকের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। সুত্র ; এই সময় ।
অভিযুক্ত শিক্ষকের ‘কাজ’
সন্ধান২৪.কম :  বাংলাদেশের এক প্রধান শিক্ষককে নিয়ে রীতিমতো শোরগোল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছাত্রী পড়ানোর নামে একের পর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে । অভিযুক্ত ওই শিক্ষক বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল হক সরদার। তিনি ওই স্কুলের পাশেই ঘর ভাড়া নিয়ে ছাত্রীদের পড়াতেন।
 কোচিং সেন্টারে পড়ানোর নামে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন ওই শিক্ষক। অভিযোগ এমনই। এ বিষয়ে ৬ মিনিটের একটি পুরোনো ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োর ভিত্তিতেই নেটিজেনরা অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন।
ভাইরাল ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, একটি ঘরে অভিযুক্ত শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রীকে পড়াচ্ছেন। আর পড়াতে-পড়াতেই তিনি ছাত্রীদের নানান স্পর্শকাতর স্থানে হাত রাখছেন। এমনকী ছাত্রীর ঠোঁট টেনে নিজের মুখের কাছে আনছেন। স্বাভাবিক কারণেই ছাত্রীরা বিব্রত বোধ করছে। আর তিনি বেত হাতে নিয়ে তাদের সামনে ঘোরাঘুরি করছেন।
 ওই কোর্চিং সেন্টারে পড়তে আসা ছাত্রীদের যৌন হয়রানির এই ভিডিয়োটি ২০১৬ সালের জুন মাসের। সেই সময়ও ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছিল। তখনও এ নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছিল। করোনা আবহে ফের ওই ভিডিয়ো নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষক নুরুল হকের ওই আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে বরিশাল মহিলা পরিষদ ও মহিলা অধিদপ্তরের নেতৃবৃন্দরা ২০১৬ সালেই প্রশাসনের কাছে শাস্তি দাবি করেছিল। পরে স্থানীয় প্রশাসনের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঝুমুর বালার মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সেইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রক থেকেও ওই বছরের জুলাই থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তাঁকে ওই বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। যদিও ২০১৯ সালের মে মাসে অভিযুক্ত শিক্ষক বেতন-ভাতা চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রকের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। সুত্র ; এই সময় ।
Exit mobile version