ইউক্রেনে রাশিয়ার কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান চতুর্থ মাসে পা দিয়েছে।
এখন ইউক্রেনের সরকারের মধ্যে আশঙ্কা কাজ করছে, ‘যুদ্ধ নিয়ে অনীহা’ বাড়ছে। যার ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্য করার জন্য পশ্চিমারা যেভাবে এক হয়েছিল সেটি কমে যেতে পারে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি অনেকটা সরাসরি বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেছেন, ক্লান্তি (যুদ্ধ নিয়ে অনীহা) বাড়ছে। মানুষ চায় কিছু ফলাফল আসুক যেটি তাদের জন্য উপকারী হবে। কিন্তু আমরা আমাদের জন্য চাই অন্যরকম ফলাফল।
শান্তি চুক্তির জন্য ইউক্রেন রাশিয়ার কাছে তাদের কিছু অঞ্চল ছেড়ে দিক, এমন প্রস্তাবের জবাবেই জেলেনস্কি এটি বলেছেন।
প্রতিমাসে যুদ্ধের পেছনে ইউক্রেনকে খরচ করতে হচ্ছে ৫ বিলিয়ন ডলার। সংবাদ সংস্থা এপিকে এমন তথ্য জানিয়েছেন পেন্টা থিংক ট্যাংকের বিশেষজ্ঞ ভলোদমির ফেসেঙ্কো।
তার মতে, এটি পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর ইউক্রেনকে নির্ভরশীল করে তুলছে।
এ বিশেষজ্ঞ বলেন, এটি নিশ্চিত যে, রাশিয়া পশ্চিমাদের নামিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। এখন তারা তাদের কৌশল ঠিক করছে যে পশ্চিমারা একটা সময় ক্লান্ত হয়ে যাবে এবং ধীরে ধীরে সামরিক দিক থেকে সরে আসবে এবং মানানসই এমন কিছুর দিকে ঝুঁকবে।
সূত্র: আল জাজিরা, এপি


