পিকনিকের চাঁদাবাজি আতঙ্কে নিউইয়র্কের বাঙালি পাড়া !

সন্ধান২৪.কম: নিউইয়র্কে শুরু হয়েছে পিকনিকের মৌসুম। আর সেই সাথে নিউইয়র্কে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা জুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চাঁদাবাজি। পিকনিকের চাঁদাবাজির আতঙ্কে বিভিন্ন পেশাজীব চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

সন্ধান২৪.কম‘র  অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঁদাবাজি ঘিরে নিরাপত্তাহীনতায় আছে নিউইয়র্কের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। এছাড়াও যারা অবৈধ অর্থ ও কাঁচা পয়সার মালিক হয়েছে তারাও এই চাঁদাবাজির স্বীকার হচ্ছেন। অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষও।

জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কস,ব্রুকলিন,ওজন পার্ক, এষ্টোরিয়া—সবখানেই একই চিত্র। এসব এলাকার দোকানদার, ডাক্তার,উকিল, সিপিএ,হোমকেয়ারসহ বিভিন্ন পেশাজীবি শ্রমজীবী প্রতিদিন নিয়মিত চাঁদা দেওয়ার চাপে রয়েছেন।

একজন ব্যবসায়ী জানান, প্রতিদিন তার কাছে ৮ থেকে ১০টি সংগঠন চাঁদা নিতে আসেন। কাউকে না বললেই,নানা রকম অপ্রীতিকর কথা শোনান,যা খুব দু:খজনক। তিনি আরও জানান,চাঁদাবাজদের আতঙ্কে নিজের প্রতিষ্ঠানে আসা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন।

জানা যায়, অভিযুক্তরা নিজেদের ওই প্রতিষ্ঠানের ‘কাষ্টমার’ ‘শুভাকাঙ্খি’ পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবী করছেন। অন্যথায় তাদের অসুবিধার সন্মুখিন হতে হবে বলেও প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। ফরে বড় বিপদে পড়েছেন বাংলাদেশী কমিউনিটি,তারা চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ।

চাঁদাবাজদের রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নিউইয়র্কের ফুটপাতের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরাও। এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।

এই নিয়ে অনেকে  ব্যবসা টিকে থাকা ও  সম্মানহানির আশঙ্কায় বিষয়টি প্রকাশ না করলেও কয়েকজন পেশাজীবি এই প্রতিবেদকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন।

নিউইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক-সাংবাদিক-সাংস্কৃতিক-আঞ্চলিক সংগঠন পিকনিক উপলক্ষে এই চাঁদাবাজিতে নেমেছে বলে একজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন।

Exit mobile version