ফাহিম সালেহ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে পুলিশ সর্বশেষ যা জানাচ্ছে

সন্ধান২৪.কম : ফাহিম সালেহ’র হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে নিউ ইয়র্ক পুলিশ গ্রেফতার করেছে । যার কাছে ফাহিম সালেহ’র বড় অঙ্কের অর্থ পাওনা ছিল বলে ধারণা করছে তারা। হত্যার অভিযোগে  টাইরেস হাসপিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ’র সহকারী ছিলেন বলে বিশ্বাস পুলিশের।
ফাহিম সালেহ’র মালিকানাধীন ‘গোকাডা’ সার্ভিস ডেলিভারিতে এক হাজার মোটর সাইকেল রয়েছে।

শুক্রবার মি. হাসপিল গ্রেফতার হওয়ার পর নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে সাংবাদিকদের বলেন, ” ফাহিম সালেহের আর্থিক ও ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর তত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন টাইরেস।” “ধারণা করা হচ্ছে অভিযুক্তের কাছে ভুক্তিভোগী বড় অঙ্কের অর্থ পেতেন।”

টাইরেস হাসপিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে তিনি ফাহিম সালেহকে বৈদ্যুতিক টেজার গান – যার সাহায্যে মানুষকে সাময়িকভাবে নিশ্চল করা যায় – দিয়ে আঘাত করার পর নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের  একটি  অ্যাপার্টমেন্টে ৩৩ বছর বয়সী ফাহিম সালেহ’র খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ পাওয়া যায়। ঐ অ্যাপার্টমেন্টটি ফাহিম সালেহ’র মালিকানাধীন ছিল।

হত্যা সম্পর্কে যা বলছে সংবাদ মাধ্যমগুলো

 টাইরেস হাসপিলকে গ্রেফতার করার পর ফাহিম সালেহ হত্যা সম্পর্কে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য প্রকাশিত হয়। পুলিশ প্রথমে ধারণা প্রকাশ করেছিল যে পেশাদার খুনিরা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। কিন্তু নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা বলছে যে তদন্তকারীদের কয়েকজনের সন্দেহ, মি. হাসপিল গোয়েন্দাদের দিকভ্রান্ত করতে এরকম একটি ধারণা দিতে চাইছিলেন যে এই হত্যাকাণ্ডটি পেশাদার খুনিদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে।

ফাহিম সালেহ’র বোন মঙ্গলবার  ম্যানহাটনের অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে প্রথম মরদেহ দেখতে পান। তাই ধারণা করা হয় যে তাকে সোমবারই হত্যা করা হয়। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দা প্রধান  সংবাদ সংস্থা সিএনএন জানায়, সোমবার দুপুরে সালেহকে হত্যা করার আগে হাসপিল তাকে বৈদ্যুতিক টেজার গান দিয়ে নিশ্চল করেন।

এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, ফাহিমকে খুন করার পর গাড়ি ভাড়া করে ম্যানহাটনের একটি দোকানে যান হাসপিল, যেখান থেকে তিনি অ্যাপার্টমেন্ট পরিষ্কার করার জিনিসপত্র কেনেন। এই সময় হাসপিল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া দেন। পরেরদিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার, হাসপিল ফাহিম সালেহ’র অ্যাপার্টমেন্টে যান হত্যার আলামত মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে – বলছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

Exit mobile version