সন্ধান২৪.কমঃ} ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দখলকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদিদের জন্য প্রায় আটশ’ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন । নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের তরফে নতুন বসতির নির্মাণ স্থানের কথা জানানো হলেও নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বেইত এল, তাল মিনাসে, রেহেলিম, শাভেই সোমরন, বারকান, কারনেই সোমরন এবং জিভাত জিভে নতুন বসতি নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের এই ঘোষণার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ট্রাম্পের দায়িত্ব ছাড়ার আগে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বসতি নির্মাণ করতে চাইছে ইসরায়েল।
আগামী ২০ জানুয়ারি মাকির্ন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক দিন আগে সোমবার এই ঘোষণা দেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনি ভূমিতে বসতি নির্মাণ অবৈধ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ ইসরায়েলি বসতি নির্মাণকে দুই রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের মূল বাধা বলে বলে বিবেচনা করে থাকে। তবে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বসতি নির্মাণে ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়েছেন। গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সময় নতুন অবৈধ বসতি নির্মাণ পরিকল্পনা স্থগিত রাখে ইসরায়েল। তবে এসব বসতি নিয়ে সমালোচনামূলক অবস্থান নিয়ে আসা জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সেই পরিকল্পনা আবারও বাস্তবায়ন শুরুর ঘোষণা দিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

ইসরায়েলের ঘোষণা জানিয়েছেন জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদিও। তিনি বলেন, ইসরায়েলের এই ঘোষণা ফিলিস্তিন সংকটের একমাত্র উপায় দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জন্য আলোচনার পরিবেশ তৈরি করার জন্য সহায়ক হবে না। মিসর, জার্মানি ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে সাফাদি ইসরায়েলকে অবিলম্বে বসতি নির্মাণ পরিকল্পনা বাতিল করার আহ্বান জানান।


