সন্ধান২৪.কম: ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়ক শহরে।
গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা, শিশু এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যার প্রতিবাদে নিউইর্য়কের প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন “সিভিল সোসাইটি নিউইর্য়ক” প্রথম বিক্ষোভ করলো ।

১৯ মে স্থানীয় সময় সন্ধ্য্য ৭টায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় প্রতিবাদে ঘাতক দালান নির্মূল কমিটি যুক্তরাষ্ট্র শাখা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখা, গণজাগরণ মঞ্চ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, প্রোগেসিভ ফোরামসহ বিভিন্ন রাজনৈকি-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সমাবেশে অংশ নেয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে চলমান সংঘাত বন্ধের দাবি জানানোর পাশাপাশি ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তির্পূণ পরিবেশ ফিরে আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বক্তব্য করেন প্রোগেসিভ ফোরামের সভাপতি খোরশেদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র সভাপতি জীবন বিশ্বাস, ৯০এর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা শাহাব উদ্দিন, ঘাতক দালান নির্মূল কমিটি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ফাহিম রেজা নুর ও স্বীকৃতি বড়ুয়া, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক মিথুন আহমেদ, ঢাকা গণজাগরণ মঞ্চকর্মী সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু, সাবেক ছাত্র নেতা জাকির হোসেন বাচ্চু, সাবেক ছাত্র নেতা সামাদ চৌধুরী এবং আয়োজকদের পক্ষে সনজীবন কুমার ও তোফাজ্জল লিটন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদা বেগম মনি, দর্পন কবীর, শাহ্ জে, চৌধুরী, কানু দত্ত, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, বিশ্বজিৎ সাহা, মুজিবুর রহমান, দরুদ মিয়া রনেল, মোফাজ্জল হোসেন, শফিউল আজম, শাজাহান মিয়া প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, ফিলিস্তিনে থামছেই না ইসরাইলের বোমা বর্ষণ। বাদ যায়নি আবাসিক ভবনও। এখন পর্যন্ত ৭০ শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছেন। জবাবে তেল আবিবে রকেট হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। গাজায় সর্বশক্তি প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, ফিলিস্তিনের শিশুদের নির্বিচারে হত্যার পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলকে সমর্থন করায় বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের জামিন না দিলে এবং তার বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে নিউইয়র্কে এই সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষনা দেয়া হয়।