সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : নেপালে নতুন করে ফের হড়পা বান৷নেপালের গোর্খা জেলায় ইতিমধ্যে জলের তোড়ে ভেসে গেল তিনটি সেতু, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি৷
প্রসঙ্গত: কয়েক সপ্তাহ আগেই ভয়াবহ হড়পা বানে ১,৪০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল৷ সেই বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় উদ্বেগ বাড়ছে।
ফের বিপর্যয় নেপালে। আবারও হড়পা বান। আরও একবার জলরোষ গিলে খেল বাড়িঘর। খড়কুটোর মতো ভেসে গেল একাধিক সেতু। জলস্রোতের কাছে ফের অসহায় নেপালের মানুষ!
জানা যাচ্ছে, রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান নামে। আচমকা নদীর জলস্তর বাড়তে থাকে। পাথর, কাদার কালো জলস্তর এগিয়ে এসে গিলে নেয় বাড়িঘর। হঠাৎ জলস্তর বাড়তে দেখে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, প্রচণ্ড গতিতে এগিয়ে আসা জলরাশি মুহূর্তে ভাসিয়ে নেয় বাড়ি ঘর। শুধু বাড়িঘর নয়, ভেসে গিয়েছে একাধিক সেতুও। জানা যাচ্ছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলে পাহাড় থেকে এই বান নেমেছে। কেন ফের এই দুর্যোগ তা জানা যায়নি। নেপালের বেশির ভাগ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি নেমেছে তারও কোনও খবর পাওয়া যায়নি। বানের কারণও স্পষ্ট নয়।
রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি অ্যালার্ট জারি করা হয়। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, বুধি গণ্ডকী নদীতে বান আসছে। যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে ততক্ষণ প্লাবিত এলাকায় যেতে মানা করা হয়। স্থানীয়দের উঁচু এলাকায় থাকারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট ব্যাপক হড়পা বানে একেবারে তছনছ হয়ে যায় মধ্য নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ। ত্রিশূলী ও ভোটকোসি নদীর ধ্বংসযজ্ঞে প্রাণ হারান বহু মানুষ। ভয়ংকর দুর্যোগে কত বাড়ি, অফিস, সেতু, দোকান-বাজার ভেঙেছে, তার স্পষ্ট হিসাব এখনও প্রশাসনের কাছে নেই। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৪৫৫। ৫,২৮৫ জন মানুষ এখনও নিখোঁজ।


