সন্ধান২৪. কম : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের নামে স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ঔদ্ধত্বপূর্ণ হুমকির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর প্রত্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
সমাবেশ থেকে. যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে বাধা দিচ্ছে এবং ইতিমধ্যে স্থাপিত ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়েছে এদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানানো হয়।
নিউ ইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় ১৫ নভেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায় অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সভায় ভাস্কর্য অপসারণ দাবিকারি বক্তা এবং নেতৃত্বকে গ্রেফতারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন নাগরিক সমাজ আয়োজিত এই পথসভায় সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় সূর্য সন্তানদের ভাস্কর্য দেশের প্রতিটি জেলোয় উপজেলায় স্থাপন করার জন্য। প্রতিবাদ সভার সমন্বয়ক নাট্যকার ও সাংবাদিক তোফাজ্জল লিটন এর সঞ্চালনায় অ্যাক্টিভিস্ট মুজাহিদ আনসারী বলেন, আমরা লালনের ভাস্কর্য, হাইকোর্টের সামনের ভাস্কর্য এবং সনাতন ধর্মের মূর্তী ভাঙ্গার প্রতিবাদ করেছি সরকার কোনো কর্ণপাত না করে মৌলবাদীদের আস্কারা দিয়েছেন। তাই এখন এইসব ধর্মন্ধরা জাতিন জনকের ভাস্কর্য অপসারনের দাবি তোলার মতো স্পর্ধা দেখাতে পারে। তাদেরদে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই। বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় সূর্য সন্তানদের ভাস্কর্য দেশের প্রতিটি জেলোয় উপজেলায় স্থাপন করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাই। যুক্তরাষ্ট্র মহানগর আওয়ামী লীগ এর যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবু বলেন, বঙ্গবন্ধু কোনো দলের না তিনি মানেই পুরো বাংলাদেশে। তিনি আমাদের কলিজা। এই কলিজা নিয়ে কথা বললে আমরা বসে থাকবো না। আমরা তাদের মুখ চিরতরে বন্ধ করে দবো। নিউইয়র্ক প্রজন্ম ৭১ এর সভাপতি শিবলী সাদিক বলেন, এই সব কাটমোল্লাদের আস্ফালন দিন দিন বেড়ে চলেছে। তাদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করতে হবে। তাদেরকে এখনি রুখে না দিলে তারা দেশটাকে পাকিস্তান আফগানিস্তান বানিয়ে ছাড়বে। বাংলাদেশ ক্লাব ইউ এস এর সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক হায়দার বলেন, বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে যাবার আহ্বান জানাই জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। প্রতিবাদ সভার সমন্বয়ক নাট্যকার ও সাংবাদিক তোফাজ্জল লিটন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন গোলাম কিবরিয়া অনু বিভাস মল্লিক। প্রতিবাদ ও পথসভায় সংহতি জানান কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ইয়াসমিন ফাত্তাহ ঝর্ণা, গোলাম হোসেন কুটি, মহানগর আওয়ামী লীগ যুক্তরাষ্ট্রের সহ-সভাপতি এম উদ্দিন আলমগীর, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ এবং শাহ জে চৌধুরী।


