Sunday, February 22, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

ভোটের আগেই বিতর্কিতদের বাদ দেবে আওয়ামী লীগ

March 20, 2022
in রাজনীতি
Reading Time: 1 min read
0
0
0
SHARES
2
VIEWS
Share on Facebook

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছানোর কাজে জোর দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। করোনা সংক্রমণ কমার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমেছেন আট বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের নেতারা। সারা দেশে শুরু হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর কমিটির সম্মেলনের কাজ। এসব সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় করতে চাইছে আওয়ামী লীগ। ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির পুরোনোদের ফের দেওয়া হচ্ছে বড় দায়িত্ব। পাশাপাশি বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে জনপ্রিয় ও গণমুখী তরুণ নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পদে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, ভোটের আগে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কমিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ এবং দলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে মনোযোগী তারা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, করোনার কারণে আমরা সম্মেলন করতে না পারলেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এতে জনগণের কাছে আমাদের অবস্থান ভালো হয়েছে। কিন্তু সম্মেলন হতে দেরি হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাও এতদিন জায়গা পাননি। তবে এখন সম্মেলনের কাজে গতি অনেক বেড়েছে। ১০ দিনে অন্তত ২০ জেলা-উপজেলার সম্মেলন হয়েছে। আবার জেলা-উপজেলার সম্মেলনের তারিখও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আশা করছি-আগস্টের আগেই অধিকাংশ (প্রায় সব) জেলা-উপজেলার সম্মেলন শেষ করতে পারব। এর মধ্য দিয়ে আমরা আগামী জাতীয় সম্মেলন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেব।

একই বিষয়ে দলটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, নেত্রীর (আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে তৃণমূল সম্মেলন শেষ করে আমরা সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চাই। আমরা চাই তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে। শুধু নামকাওয়াস্তে সম্মেলন করতে চাই না। জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রকৃত অর্থেই একেবারে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠনকে আরও বেশি শক্তিশালী ও গণমুখী করতে চাই। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতৃত্বে আমরা ত্যাগীদের নিয়ে আসতে চাই। পাশাপাশি দলের জন্য নিবেদিত ও পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদেরও জায়গা দিতে চাই। আমরা চাই-নবীন-প্রবীণ সমন্বয়ের নেতৃত্ব আসুক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৭৮ সাংগঠনিক জেলা এবং সাড়ে ছয়শর মতো উপজেলা কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে এখনো ৪০টির মতো জেলা ও চার শতাধিক উপজেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। গত বছর এ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর সম্মেলন শুরুর পরিকল্পনা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু পরে তা থেমে যায়। ৮ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় দলের সভাপতি শেখ হাসিনা পুনরায় এই কাজে গতি বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। তার নির্দেশনা মেনে করোনা সংক্রমণ কমা ও বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর জোরেশোরে দল গোছানোর কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটির তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ উপজেলা, থানা বা পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। জেলা-উপজেলায় হচ্ছে প্রতিনিধি সম্মেলনও। বিভাগীয় টিমগুলোও নিয়মিত বৈঠক করছে। সেখানে নানা দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সম্মেলনের মাধ্যমে দল গোছানোর পাশাপাশি জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা এবং স্থানীয় সংসদ-সদস্যদের মধ্যকার বিভেদ কমিয়ে তাদের নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। দ্বন্দ্ব জিইয়ে রাখলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, মে মাসের মধ্যে আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের (খুলনা) জেলা-উপজেলাগুলোর সম্মেলন শেষ করতে পারব বলে আশা করছি। তিনি জানান, ৩১ মার্চের মধ্যে ১২টি উপজেলার সম্মেলন শেষ করা হবে। এছাড়া ১২ মে মাগুড়া, ১৪ মে মেহেরপুর, ১৫ মে চুয়াডাঙ্গা এবং ১৬ মে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেখানে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির পুরোনো ও অভিজ্ঞ নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তাদের জায়গায় নিয়ে আসা হচ্ছে নতুন নেতৃত্ব। প্রায় সাত বছর পর ১৯ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে বিলুপ্ত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিমকেই সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুককে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সাত বছর পর সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে কেএম হোসেন আলী হাসান ও আব্দুস সামাদ তালুকদারকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়। দলীয় কোন্দলের কারণে ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর সভাপতি আবদুল লতিফ বিশ্বাস ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সংসদ-সদস্য হাবিবে মিল্লাতকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে হোসেন ও আবদুস সামাদকে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তারা ভারমুক্ত হন।

দীর্ঘ সাত বছর পর নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০ ফেব্রুয়ারি। নতুন কমিটিতে জেলা আওয়ামী লীগের আগের কমিটির সভাপতি নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের এমপি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুসকে পুনরায় সভাপতি করা হয়। বিদায়ি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুলের পরিবর্তে সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়মী লীগের সম্মেলনগুলোয়ও। দীর্ঘ ৯ বছর পর পঞ্চগড় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম পুনরায় সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান শেখ মিলন সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অন্যান্য উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনগুলোয়ও দেখা গেছে শীর্ষ নেতৃত্ব বাছাইয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেন, তৃণমূল কর্মীদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রধান্য দিয়ে জেলা-উপজেলা কমিটিতে তৃণমূলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদেরই জায়গা দেওয়া হয়েছে। কোনো বিতর্কিত, সুবিধাবাদী বা হাইব্রিড নেতাকে জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাখা হয়নি। দুঃসময়েও যাদের রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বিচ্যুতি ঘটেনি, সেইসব ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের শীর্ষ পদে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছি তৃণমূলের এসব সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী হিসাবে গড়ে তুলতে। আমাদের নেত্রীর (আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সার্বিক দিকনির্দেশনায় এই কাজগুলো আমরা সহজে করতে পেরেছি।

Continue Reading

Related Posts

রাজনীতি

‘যে কোনো আসনে হারাব’ ইউনুসকে লড়াইয়ে নামার ‘চ্যালেঞ্জ’ ছুড়লেন হাসিনা

January 23, 2026
15
নিউ ইয়র্ক

নিউইয়র্কে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে প্রতিরোধের ডাক,দরজা ভাংচুর একজন গ্রেপ্তার

August 25, 2025
9

Sanjibon Sarker
Editor in Chief/ President

 

Weekly Sandhan Inc.
Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
Contact: +1 646 897 9262
Email: weeklysandhan@gmail.com,
www.sandhan24.com

Bimal Sarkar
Executive Editor
Contact: +1 512-576-2944

Quick Link

  • সম্পাদক
  • গ্যালারি

© 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

No Result
View All Result
  • Home
  • Login

© 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
Go to mobile version