সন্ধান প্রতিবেদন :
নিউইয়র্ক জুড়ে এখন প্রধান আলোচনার বিষয় বাংলাদেশ সোসাইটি।আগামী ২৫ অক্টোবর এই নির্বাচন । এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্যানেল ভোট বেপারীদের খপ্পরে পড়েছে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই ভোটের মাঠে ভোট ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা বিভিন্ন কায়দা-কৌশলে দুটি প্যানেলকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এদের কুট-কৌশলের কাছে এমনভাবে বাঁধা পড়েছে যে, সেলিম -আলী ও কুনু-ফিরোজ পরিষদ “না পারছে সইতে,না পারছে কইতে”।
ভোটের খেলোয়াররা তাদের গুরত্ব বাড়ানোর জন্য জনসংযোগ বাড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তৎপর অনেকে। এদের অনেকেই দুটি প্যানেলের সামনে নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকার ম্যাপ ( মানচিত্র ) নিয়ে বসেন। তারপর কাগজে-কলমে জ্যামিতির মত ছক করে বলেন ‘অমুক’ এলাকার ‘এত’ ভোট আমার হাতের মুঠোয়। অমুক আঞ্চলিক সংগঠনের সদস্যরা আমার কথায় উঠে বসে। অতএব ‘ফেলো কড়ি মাখো তেল’। এভাবেই অল্প কয়েকটি পয়সার জন্য এরা শত শত ভোটারকে দুটি প্যানেলের কাছে কাগজে-কলমে বিক্রী করে দিচ্ছে।

কিছু নগদ লাভের জন্য এভাবে সোসাইটির ভোট আসলেই ভোট বেপারীরা গা-ঝাড়া দিয়ে উঠে পড়েন। অনেকেই বয়সের ভারে নড়তে-চড়তে না পারলেও, বহুদিনের অভ্যাসের কারণে এরা ভোটের সময় চাঙ্গা হন।
এদের কায়-কারবার দেখে কমিউনিটির কৌতূহলের অন্ত নেই। ভোটাররা নানা রকম মন্তব্য করতেও ছাড়ছেন না। অনেকে বেপারীদের উদ্দেশ্য করে বলছেন, ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’। এদেরকে কেউ চার পয়সার দাম দেয় না।
কয়েকজন ভোটার মন্তব্য করেন,এই পেশাদারী ভোট খেলোয়াররা যে পরিষদকে সমর্থন করে তাদের ‘বারোটা’ বেজে যায়।
একজন বলেন, কি বলবো,সোসাইটির ভোট আসলেই এরা শীতের পাখীর মত উড়ে এসে জুড়ে বসে। কিন্ত এই কুশি-লবরা ‘ফেল্টু রাশি । এরা ব্যক্তি বা পরিষদের পক্ষে থাকে তাদের নিশ্চিত পরাজয় হয়।
এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সেলিম -আলী ও কুনু-ফিরোজ পরিষদ। মুলত; দুটি পরিষদকে কঠিনভাবে জিম্মি করে এরা নানা আবদার করছে। এদের অত্যাচার না পারছে গ্রহন করতে,না পারছে বর্জন করতে। কারণ ভোট বড় বালাই।