
১৪ নভেম্বর হামলার শিকার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ জনকে।
গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিপাড়া এলাকার গোলাম আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৫৫), একই এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ওয়াসিম (২৯), গোদনাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার সোলায়মানের ছেলে সামসুজ্জামান (২৮), চাঁদপুর জেলার বাবুরহাট এলাকার হুমায়ূন কবির খানের ছেলে মারুফ খান (১৮)৷
জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি কড়ইতলা এলাকার আবুল হোসেন মন্টুর ছেলে বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। আসামি পশ্চিমপাড়া এলাকার আমিনুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছে, এমন খবরে সেখানে যান পুলিশ সদস্যরা।
আমিনুল ইসলামের বাড়ির সামনে গিয়ে দরজা খুলতে বলা হলে পুলিশকে গালাগাল শুরু করা হয়। পরে আমিনুল স্থানীয় মসজিদে ফোন করে জানায় তার বাড়িতে ডাকাত পড়েছে। এই তথ্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা করা হলে ৩০-৪০ জন স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে।

১৪ নভেম্বর হামলার শিকার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ জনকে।
গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিপাড়া এলাকার গোলাম আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৫৫), একই এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ওয়াসিম (২৯), গোদনাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার সোলায়মানের ছেলে সামসুজ্জামান (২৮), চাঁদপুর জেলার বাবুরহাট এলাকার হুমায়ূন কবির খানের ছেলে মারুফ খান (১৮)৷
জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি কড়ইতলা এলাকার আবুল হোসেন মন্টুর ছেলে বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। আসামি পশ্চিমপাড়া এলাকার আমিনুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছে, এমন খবরে সেখানে যান পুলিশ সদস্যরা।
আমিনুল ইসলামের বাড়ির সামনে গিয়ে দরজা খুলতে বলা হলে পুলিশকে গালাগাল শুরু করা হয়। পরে আমিনুল স্থানীয় মসজিদে ফোন করে জানায় তার বাড়িতে ডাকাত পড়েছে। এই তথ্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা করা হলে ৩০-৪০ জন স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে।