সন্ধান২৪.কম : চলতি মাসের শুরুর দিকে সর্বপ্রথম তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফলে তাদের কোভিড-১৯ টিকার সাফল্য সম্পর্কে জানিয়েছিল ফাইজার ইঙ্ক। তারই ধারাবাহিকতায় মহাকায় কোম্পানিটি আজ শুক্রবার (২০ নভেম্বর) এর জরুরি ব্যবহার অনুমোদন দিতে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) কাছে আবেদন করার কথা জানিয়েছে। টিকা অনুমোদন দিতে এফডিএ কত সময় নিতে পারে তা নিশ্চিত না হলেও আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মোট ৪১ হাজার মানুষের ওপর এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। এর মধ্যে অর্ধেককে তাদের বানানো টিকাটি দেওয়া হলেও বাকিদের পরীক্ষার স্বার্থে মিছেমিছি টিকা দেওয়া হয়।
যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে এই টিকার ৪ কোটি ডোজের অর্ডার দিয়ে রেখেছে, যার মধ্যে এই বছরের শেষে ১ কোটি ডোজ পাওয়ার কথা আছে তাদের।
ফাইজার ও বায়োএনটেকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি আগামী মাসের শুরুর অর্ধে এফডিএ টিকার অনুমোদন দেয়, তাহলে তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই টিকার সরবরাহ শুরু হয়ে যায়।
টিকা তৈরির এ প্রক্রিয়াটি অত্যধিক দ্রুততার সঙ্গে সম্পাদিত হচ্ছে। জেনেটিক কোড বের করার জন্য ১০ মাসের মতো সময় লেগেছে। যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত টিকার অনুমোদন পেতে আট বছরের মতো সময় লাগে।
ফাইজারের প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বৌরলা বৃহস্পতিবার বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনার টিকা পৌছে দেওয়ার পথে তার অনুমোদনের আবেদন করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
গত সপ্তাহে ফাইজার ও বায়োএনটেকের ট্রায়াল থেকে পাওয়া তথ্যের বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে এই টিকা ৯০ শতাংশ সুরক্ষা দেবে এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এরপরপরই আবার দেওয়া তথ্যে ফাইজার জানিয়েছে কার্যকারিতা ৯৫ শতাংশ।