সন্ধান২৪.কম : ৫ আগস্ট (শনিবার) সকালে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
প্রতিটি স্মরণ সভায় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং শেখ কামালের জীবন ও কর্মের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কেক কেটে ও মুনাজাত করে শেখ কামালের জন্মদিন পালন করা হয়।
তিনটি স্মরণ সভাতেই শেখ কামালের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তরা বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের অসামান্য অবদান ছিল।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে
বক্তরা আরও বলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী শহিদ শেখ কামাল ছিলেন দেশের আধুনিক ক্রীড়াঙ্গনের পথিকৃৎ এবং যুব সমাজের জন্য আদর্শ। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর শেখ কামাল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেন।
ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দূতাবাস বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে । যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক জাতির পিতার আবক্ষ মুর্তি এবং শহিদ শেখ কামালের প্রতিকৃর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এসময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল,
অন্যদিকে নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে এরপর শহিদ শেখ কামালের জীবন ও কর্মের ওপর এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে মুল বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, “শেখ কামাল ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী। মাত্র ২৬ বছর আয়ুকালে তিনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অসংখ্য অবদান রেখে গেছেন।
এদিকে একই দিনে সকালে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।