সন্ধান২৪.কমঃ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের মর্যাদাসম্পন প্রতিষ্ঠান নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়নস ক্লাবের সভাপতি শাহ নেওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন ছন জে এফ এম রাসেল।
গত মঙ্গলবার ২০ জুন রাতে জ্যাকসন হাইটসে এই সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনটির নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী ছিলেন সাপ্তাহিক আজকালের সম্পাদক, মূলধারার রাজনীতিক, কুইন্স কমিউনিটি বোর্ড সদস্য ও শাহ নেওয়াজ। তার একমাত্র প্রতিদ্ব›িদ্ব ছিলেন মুনমুন হাসিনা বারি।


এই নির্বাচনে শাহ নেওয়াজ ৪৭ ভোট পেয়ে তৃতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্ব›িদ্ব মুনমুন হাসিনা বারি পেয়েছেন ৩১ ভোট। উল্লেখ্য, মুনমুন হাসিনা বারি বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী বারি হোম কেয়ারের কর্ণধার আসেফ বারি টুটুলের সহধর্মিনী।
নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হয়েছেন, এ কে এম রশিদ ( ৫৯ ভোট ),রেজা রশিদ ( ৪২ ভোট ), সাইফুল ইসলাম ( ৩৯ ভোট) ও রুহুল আমিন (৩৫ ভোট )।
বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রকি এলিয়েন এবং মেম্বর চেয়ার পদে এফ ই এম ডি রকি।
সাধারণ সম্পাদক পদে ৪২ ভোট পেেেয় নির্বাচিত হয়েছেন জে এফ এম রাসেল। তার প্রতিদ্ব›িদ্ব ছিলেন হাসান জিলানী পেয়েছেন ৩৩ ভোট।
৪৬ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মশিউর রহমান মজুমদার। তার একমাত্র প্রতিদ্ব›িদ্ব গোলাম সরোয়ার পেয়েছেন ২৮ ভোট।

নির্বাচনে, প্রেসিডেন্ড পদে বিজয়ী হওয়ার পর শাহ্ নেওয়াজ তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, লায়ন্স ক্লাবকে একটি কার্যকরী ও অর্থবহ সংগঠনে পরিনত করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এই সংগঠনের মধ্য দিয়ে আমরা কমিউিনিটির সেবা করতে চাই। তিনি এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
মঙ্গলবার রাত ১০টার পরে ভোট শুরু হয়। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনের সাধারণ সভা। সভায় ভোটার তালিকায় ৫ জন সদস্যের নাম না থাকায় কিছুটা বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে সাধারণ সদস্যদের সিদ্ধান্তে ৫ জনকে ভোটার করে নিলে বির্তকের অবসান হয়।
৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাইয়িদ এবং কমিশনের সদস্য ছিলেন হলেন মতিউর রহমান. মোহাম্মদ আলী,নাসির উদ্দীন,গিয়াস আহমেদ ও এটর্নি মঈন চৌধুরী।
গত ৯ বছর ধরে বিশ্বব্যাপী লায়নদের ঐতিহ্য ও মর্যাদার পতাকা বহন করে চলেছে সংগঠনটি। কমিউনিটিতে একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
সাধারয় সভা ও ভোট প্রহন পর্ব কোন অধিবেশনেই সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না।


