সন্ধান২৪.কমঃ নিউইয়র্ক সিটির হার্লেমে সহিংসতায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা দূর্র্র্বৃতের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় কুইন্স বরোর পুলিশ বিভাগ জ্যাকসন হাইটসে এক শোক সমাবেশের আয়োজন করে।
গত ২৬ জানুয়ারী সন্ধায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজার এই স্মরণ সমাবেশে কুইন্সের উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে জেবিবিএর (জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে শোক সভায় নিহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে বক্তব্য করেন। এসময় জেবিবিএর নেতারা প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে নিহতদের প্রতি সম্মান জানান।
শোক সমাবেশে ১৫ প্রিসিংক্টের কমান্ডিং অফিসার আল তাহেরী নিহত দুই পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, চলতি মাসে চারবার বন্দুক হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব ঘটনায় হতাহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা। হার্লেমে আবারো দুঃখজনক ঘটনায় আমাদের দুইজন পুলিশ নিহত হলো, যা আমাদেরকে মর্মাহত করেছে। সব ঘটনার তদন্ত করছেন কর্মকর্তারা।
শোক অনুষ্ঠানে কমিউনিটি এ্যাফেয়ার্স অফিসার ব্রায়ান গন্জালো বলেন, এ হামলা কেবল ওই তিন পুলিশ সদস্যের ওপর নয়, নিউইয়র্ক শহরের ওপর চালানো হয়েছে। আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে এই শহরকে রক্ষা করতে হবে। নিউইয়র্ককে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের পুলিশ অফিসার মাইক মিয়ানকো বলেন, দুই পুলিশের মৃত্যুতে কমিনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরণের মৃত্যুর ঘটনা না ঘটে তার জন্য আমাদের সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।
জেবিবিএ‘র নেতৃবৃন্দরা পুলিশের পাশে থেকে সব সময় সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনা আমাদেরকে হতভাগ করে দিয়েছে। আমরা এই হিংসাত্মক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষ থেকে সমাবেশে বক্তব্য দেন, এর্টনী মঈন চৌধুরী, গিয়াস আহমেদ, হারুন ভূঁইয়া, ফাহাদ সোলায়মান, মোহাম্মদ তারেক এইচ খান, মোহাম্মদ আলম নমি প্রমূখ। সমাবেশে জেবিবিএর প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটির নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত ঃ গত ২১ জানুয়ারি রাতে, ছেলেকে বাঁচাতে জরুরি নম্বরে কল করেন এক মা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিন পুলিশ সদস্য। এসময় ফ্ল্যাট থেকে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই নিহত হন পুলিশ কর্মকর্তা উইলবাট মোরা। গুরুতর আহত আরেক সদস্যকে হাসপাতালে পাঠালে সেখানে মৃত্যুবরণ করেন জেসন রিভারা।