সন্ধান২৪.কমঃ প্রতি বছর মুথু মারিয়াম্মান মন্দিরে ১২ দিন ধরে পোঙ্গল উৎসব পালন করা হয়। কিন্তু সেই উৎসবে শামিল হয়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন না এলাকার দলিতরা। গত ৮০ বছর ধরে চলে আসছিল একই নিয়ম। অবশেষে. রবিবার, কড়া পুলিশি ঘেরাটোপে মন্দিরে প্রবেশ করেন দলিত পরিবারের প্রায় ৩০০ সদস্য।

উচ্চবর্ণের মানুষদের কড়া আপত্তিতে মুথু মারিয়াম্মান মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন না তামিলনাড়ুর থিরুভান্নামালাইয়ের থাণ্ডারামপাট্টুর দলিত পরিবারগুলি। কিন্তু রবিবার পুলিশি নিরাপত্তায় প্রায় ৮০ বছর পর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করলেন তফসিলি জাতিভুক্তপ্রায় ৩০০ পুরুষ, মহিলা এবং শিশু। যদিও দলিতদের মন্দিরে প্রবেশ নিয়ে রবিবারও আপত্তি তোলেন থাণ্ডারামপাট্টুর উচ্চবর্ণের মানুষরা।
প্রতি বছর মুথু মারিয়াম্মান মন্দিরে ১২ দিন ধরে পোঙ্গল উৎসব পালন করা হয়। কিন্তু সেই উৎসবে শামিল হয়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন না এলাকার দলিতরা। গত ৮০ বছর ধরে দলিত পরিবারগুলিকে মন্দিরে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। চলতি বছরে দলতি পরিবারগুলির প্রতিনিধিরা গ্রামের প্রধানদের কাছে উত্সবে অংশ নিতে এবং মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন। গ্রামের প্রধানরা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পরে, তাঁরা তিরুভান্নামালাইয়ের ‘হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এনডাওমেন্টস’ (এইচআরএন্ডসিই) কর্তৃপক্ষের কাছে যান এবং তদন্তের জন্য একটি পিটিশন জমা দেন। তদন্ত করার পর দলিত পরিবারগুলিকে মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেন এইচআরএন্ডসিই।

বেশ কয়েকটি দলিত পরিবার পোঙ্গল রান্না করার জন্য মালা এবং জিনিসপত্র নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন এবং দেবতার দর্শন করেছিলেন। যদিও এলাকার উচ্চবর্ণের মানুষেরা এইচআরএন্ডসিই-র এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা মনে করেন দলিতরা নিকৃষ্ট জাতি. তারা অচ্ছুত। তাদের পবিত্র মন্দিরের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
তামিলনাড়ুতে এইচআরএন্ডসিই এবং জেলা কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে তৃতীয় মন্দিরে দলিতদের প্রবেশাধিকার দিলেন। তথ্যস্রুত্র ঃ আনন্দবাজার পত্রিকা


