ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেনর্ যাব ৩-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, করোনাকালীন হাসপাতালগুলোতে বিভিন্ন অনিয়মের খবর পাওয়া যায়। এ সুযোগে ভুয়া চিকিৎসকদের অপতৎপরতা নজরদারি করছেন গোয়েন্দা সদস্যরা।
তিনি বলেন, ভুয়া চিকিৎসক থাকাসহ বেশকিছু অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুর ১২টায়র্ যাব ৩-এর সহযোগিতায় মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তার টেমপোরারি (সাময়িক) রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। সেটাও শুধু ইউনানি চিকিৎসার ক্ষেত্রে। কিন্তু অ্যালোপ্যাথির চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন মিজানুর রহমান।
ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বলেন, তিনি মূলত ইউনানি চিকিৎসক। তার প্যাডে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি নিজেকে হেকিম নয়, ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি অসংখ্য ভুয়া ডিগ্রি তার প্রেসক্রিপশনে যুক্ত করেছেন। যার কোনো সত্যতা ও ভিত্তি নেই। শুধু প্রতারিত করতেই তিনি ভুয়া ডিগ্রি যুক্ত করেছেন। এতে করে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও অর্থের তিনি ক্ষতিসাধন করেছেন। এর কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেনর্ যাব ৩-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, করোনাকালীন হাসপাতালগুলোতে বিভিন্ন অনিয়মের খবর পাওয়া যায়। এ সুযোগে ভুয়া চিকিৎসকদের অপতৎপরতা নজরদারি করছেন গোয়েন্দা সদস্যরা।
তিনি বলেন, ভুয়া চিকিৎসক থাকাসহ বেশকিছু অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুর ১২টায়র্ যাব ৩-এর সহযোগিতায় মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তার টেমপোরারি (সাময়িক) রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। সেটাও শুধু ইউনানি চিকিৎসার ক্ষেত্রে। কিন্তু অ্যালোপ্যাথির চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন মিজানুর রহমান।
ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বলেন, তিনি মূলত ইউনানি চিকিৎসক। তার প্যাডে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি নিজেকে হেকিম নয়, ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি অসংখ্য ভুয়া ডিগ্রি তার প্রেসক্রিপশনে যুক্ত করেছেন। যার কোনো সত্যতা ও ভিত্তি নেই। শুধু প্রতারিত করতেই তিনি ভুয়া ডিগ্রি যুক্ত করেছেন। এতে করে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও অর্থের তিনি ক্ষতিসাধন করেছেন। এর কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।


