সিআইডি জানায়, গ্রেফতার হওয়া আজম দুবাইয়ে উচ্চ বেতনে চাকরি দেওয়ার নামে বিভিন্ন ড্যান্স ক্লাবে নারী পাচার করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে গত ২ জুলাই লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
গত আট বছর ধরে আজম এক হাজারের বেশি বাংলাদেশি তরুণীকে দুবাই পাচার করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছয়টি হত্যা মামলাসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। সোমবার আজমকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
আজম দুবাইয়ের ফরচুন পার্ল হোটেল অ্যান্ড ড্যান্স ক্লাব, হোটেল রয়েল ফরচুন গ্রান্ড ও হোটেল সিটি টাওয়ারের অন্যতম মালিক। এসব ক্লাব ও হোটেলে কাজ দেওয়ার নামে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পাচার করে আনা অল্পবয়সী তরুণীদের যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়ে থাকে। আজমের সহযোগী আল আমিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ডসহ অন্য সহযোগীরা ড্যান্স প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণীদের বিদেশে মোটা অঙ্কের বেতনের প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে আজমের চাহিদা মতো তারা ওই তরুণীদের দুবাইয়ে পাচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে পৌঁছানোর পর আজমের মালিকানাধীন ড্যান্স ক্লাবগুলোতে আটকে রেখে তরুণীদের ওপরে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন করা হতো।


