’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি’- কালজয়ী অমর একুশে গানের রচয়িতা কিংবদন্তি সাংবাদিক-কলামিস্ট, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের অতন্দ্র প্রহরী আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার লন্ডন সময় বিকেলে আমাদের ছেড়ে, অগণিত ভক্তজন রেখে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। তাঁর এ চলে যাওয়ায় বাঙালি ও বাংলাদেশ হারালো এক প্রবাদ পুরুষ অভিভাবককে। বাংলা, বাঙালি, বাংলা কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের গভীর সংকট মুহূর্তে তার চলে যাওয়ার শূন্যতা বড়ই অসহায়ত্বের। এ শূন্যতা ও ক্ষতি সহসা পূরণ হবার নয়। এই সংকট মুহূর্তে সাহসী ক্ষুরধার লেখনীর বড়ই অভাব সৃষ্টি হলো।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ১৯৩৪ সালে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া গ্রামে জন্মেছিলেন এই কিংবদন্তি। বিগত প্রায় ৪৭ বছর যাবৎ লন্ডনে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। জীবনে অসামান্য খ্যাতি ও সম্মানের অধিকারী ছিলেন। পেয়েছে অগণিত ভক্তজনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সংস্কৃতির টানে উদীচীর ডাকে বেশ কয়েকবার নিউইয়র্কে এসেছেন। তাঁর জন্মদিনে উদীচী নাগরিক সম্বর্ধনা জানিয়েছে। উদীচী ও বাংলা কৃষ্টি-সংস্কৃতির ঐকান্তিক পৃষ্ঠপোষক শ্রদ্ধেয় গাফফার চৌধুরীর তিরোধানে উদীচী যুক্তরাষ্ট্র গভীর শোক প্রকাশ ও তার আত্মার শান্তি কামনা করছে।- বিজ্ঞতি


