আমেরিকার ৬ রাজ্য টর্নেডোর দাপট , মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে

সন্ধান২৪.কম : আমেরিকার ৬ রাজ্য টর্নেডোর হানা। ৩২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ায় লন্ডভন্ড আমেরিকার একাংশ। মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার মধ্যরাতেই একাধিক টর্নেডো আছড়ে পড়ে। ঝড়ে সবথেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কেনটাকিতেই। কেবল সেখানেই ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই একটি মোম কারখানার কর্মী ছিলেন। ঝড়ে গোটা কারখানার ছাদ উড়ে যাওয়ায় এবং কারখানার একাংশ ভেঙে পড়ায় বহু কর্মী আহত ও মারা গিয়েছেন।  শনিবার সকাল থেকে উদ্ধারকার্য শুরু হতেই ক্ষয়ক্ষতির টের পাওয়া যায়। মাইলের পর মাইল জুড়ে কেবল ভেঙে পড়া বাড়িঘরই দেখতে পাওয়া যায়। ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই স্বজন পরিজনদের খুঁজতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। কেনটুকির গভর্নর বলেছেন, ‘‌কেনটাকির ইতিহাসে সবথেকে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী টর্নেডো ছিল এটি। কমপক্ষে ১০০ জনের মৃ্ত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০০ মাইল জুড়ে অসংখ্য বাড়ি, দোকান নষ্ট হয়েছে এই ঝড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য ১৮৯ জন জাতীয় নিরাপত্তাকর্মীকে পাঠানো হয়েছে‌।
শুক্রবার মধ্যরাতেই টর্নেডো আছড়ে পড়েছিল কেনটুকি রাজ্যে। ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। শনিবার উদ্ধারকার্য শুরু হতেই বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। এখনও অবধি কমপক্ষে ১০০ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

টর্নেডো নিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টেলিভিশন বার্তায় বলেন, ‘‌অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমরা এখনও জানিনা যে কতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণই বা কতটা।’‌  প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে ৪০০ কিমি বেগে টর্নেডো বয়ে গিয়েছে আরকানসাস থেকে কেনটুকি অবধি। টর্নেডোর প্রভাব পড়েছে ইলিনয়, মিসৌরি এবং আরকানসাসে। ঝড়ের সতর্কতা থাকলেও, তা এতটা ভয়ঙ্কর আকার নেবে, তা কল্পনা করা যায়নি।

Exit mobile version