আলবেনীতে ঐতিহাসিক বিল পাশ, নেপথ্যে দুই বাংলাদেশী-আমেরিকান

সন্ধান২৪.কম : নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল ও স্টেট নির্বাচনে লড়েছেন এমন দুই বাংলাদেশী-আমেরিকান নারী প্রার্থী স্টেট নির্বাচনী আইন প্রয়োগে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। মেরি জোবাইদা ও মৌমিতা আহমেদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের আইন পরিবর্তন হয়ে গেছে। ডাক নামে নির্বাচনে দাঁড়ানোয় প্রার্থীতা বাতিল হয়েছিল এ দুই নারীর। এখন আইন সভায় রীতিমতো আইন পাশ করে মূল নামের পরিবর্তে ডাক নামে নির্বাচনের বৈধতা দিয়েছে নিউইয়র্ক রাজ্য। রাজধানী আলবেনীতে ষ্টেট ও সিনেটে পাশ হয়েছে নতুন আইন। খবর ইউএনএ’র।
জানা গেছে, ২০২০ সালের এপ্রিলে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রাইমারী নির্বাচনে নিউইয়র্ক রাজ্যের অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩৭ (নিউইয়র্ক সিটির সানিসাইড, রিজউড, এলআইসি, এস্টোরিয়া, উডসাইড ও ম্যাসপ্যাথ এলাকা) থেকে অ্যাসেম্বলীওম্যান পদে লড়েন মেরি জোবাইদা আর অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-২৪ ডিস্ট্রিক্ট লিডার পদে মৌমিতা আহমেদ। সার্টিফিকেটে মেরি জোবাইদার নাম মেহেরুন্নেছা আর মৌমিতা আহমেদের নাম আকিয়া তাসনিম আহমেদ। প্রার্থীতায় মেহেরুন্নেছার পরিবর্তে মেরি জোবাইদা আর আকিয়া তাসনিম আহমেদের পরিবর্তে মৌমিতা আহমেদ ব্যবহার করায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করে বোর্ড অফ ইলেকশন।

পরবর্তীতে বোর্ড অব ইলেকশনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যান মেরি ও মৌমিতা। আদালতে তারা তুলে ধরেন মূল নামের পরিবর্তে ডাকনাম ব্যবহারের কারণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আদালতকে তারা জানান, বাংলাদেশে সার্টিফিকেটে থাকা নামের বাইরেও ডাক নামে ডাকা হয় অধিকাংশ মানুষকে। এদেরকে সাধারণ মানুষ সাটিফিকের নামের পরিবর্তে ডাক নামেই বেশি চেনেন। মেরি ও মৌমিতা নাম ব্যবহারের পেছনের কারণও এটি। বাংলাদেশ ও নিউইয়র্কের মানুষ তাদের মূল নামের পরিবর্তে ডাক নামেই

বেশি চেনেন। এজন্যই এ নাম ব্যবহার করা হয়েছে প্রার্থীতায়। তাদের কথায় সন্তোষ্ট হয়ে আদালত প্রার্থীতা বহাল রাখেন। এসময় তাদের হয়ে আদালতে লড়েন এটর্নী আলী নাজমী।

পরবর্তীতে ডাক নামের কারণে ভবিষ্যতে আর কারো প্রার্থীতা যেন বাতিল না হয় সেজন্য এগিয়ে আসেন নিউইয়র্ক রাজ্যের আইন প্রণেতারা।

Exit mobile version