সন্ধান২৪.কম: আলোচনা,আবৃত্তি, গানে ‘লালন,রবিন্দ্রনাথ ও নজরুল স্মরণ’ উৎসবের আয়োজন করে নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দধ্বনি।
১৯ নভেম্বর সন্ধায় জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে ‘আনন্দধ্বনি জাগাও গগনে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের পরিচালক অর্ঘ্য সারথী সিকদার। এর পর অনুষ্ঠানের সূচনা করেন লেখক ও সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস।


আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন অর্থনীতিবীদ ও কলামিস্ট ড.বিরুপাক্ষ পাল,বর্ষীয়ান সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক আজকাল প্রধান সম্পাদক মনজুর আহমদ এবং শিল্পী ও গবেষক অনিন্দিতা চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিনগুণীর স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।
বিশ্ব বরেণ্য তিন বরেণ্যব্যক্তির উপর আলোচনা করতে গিয়ে বক্তরা বলেন,লালন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল ইসলাম বিশ্বের এবং এই উপমহাদেশে বাংলা সাহিত্য ও কাব্যধারার এক আমূল পরর্বিতন এনেছেনে। সঙ্গীত এবং সাহিত্যের ক্ষেত্রে লালন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল বাংলাদেশ ও ভারতকে একই সূত্রে গেঁেথছেনে। আধুনিক বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে তিনজনের অবদান অবস্মিরণীয়।
বক্তরা আরও বলেন,লালন, রবীন্দ্র-নজরুল সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিকাশের অগ্রসরমান ধারাটিকেই এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বাংলা সঙ্গীত ও সাহিত্যকে তারা সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত করেছেন, এনেছেন বিশ্বজনীন উপাদান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে পরিচিত করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্বে।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই গাজায় যুদ্ধে ও অনাহারে যেভাবে শিশু মারা যাচ্ছে তা নজিরবিহীন উল্লেখ করে হাসান ফেরদৌস অনুষ্ঠানটি সেই শিশুদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন। এসময় তিনি বলেন, গাজায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ সেইসব শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কান্ডারি। পৃথিবীর সব শিশুই আমাদের শিশু। আমাদের সব স্নেহ ভালোবাসা তাদের জন্য।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা দাশ, অনিন্দিতা চৌধুরী,কৃষ্ণা তিথি,শাহ মাহবুব,তরুন চন্দ,জয়ী চ্যাটার্জী ,প্রজ্ঞা বড়–য়া,সেনিয়া লালমিন লাবনী,গায়ত্রী সাহা,তমা চক্রবর্তী, দেবযানী দেবনাথ বর্ষা, উৎপলা অধিকারী, আবীর ঘোষ, রাজীব সরকার, আলভান চৌধুরী প্রমূখ। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন পিনুসেন দাশ, পার্থগুপ্ত ও আরিফুজ্জামান আরিফ।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল শাহ্ ফাউন্ডেশন। পুরো আয়োজনের ভাবনা ও পরিকল্পনা করেছেন অর্ঘ্য সারথী সিকদার।


