আহত ইউএনও’র বাবার মুখে ঘটনার কথা বললেন

ঢাকায় আনা হয়েছে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে।

সন্ধান২৪.কম : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানমের আহত বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ  দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হওয়া  দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার বিষয়ে মুখ খুলেছেন  ।

মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী বলেন, বারবার ওয়াহিদা খানমের কাছে চাবিও চেয়েছে মুখোশধারী হামলাকারীরা। চাবি না দিলে তার ৪ বছরের সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় দেশজুড়ে আলোচিত এই হামলায় অংশ নেয়া এক ব্যক্তি। বাসায় ঢুকে হামলাকারীরা টাকা-পয়সা, গয়না কোথায় আছে সেগুলো দিতে বলে। 

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এভাবেই  হামলার ঘটনা তুলে ধরেন ইউএনওর বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ।

ওমর আলী শেখ বলেন, বুধবার দিবাগত রাত তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে তাহাজ্জুদ নামাজ পরে কেবল শুয়েছিলাম। ঘুম ঘুম লাগছিল। এমন সময় মেয়ের চি’ৎকার শুনে ওপর তলায় যাই। মেয়ে তখন আমাকে ডাকছিল আর বলছিল, ঘরে কেউ ঢুকেছে বাবা, দ্রুত আস।

তিনি বলেন, আমি ওপর তলায় গিয়ে দেখি মুখোশধারী এক ব্যক্তি মেয়ের কাছে চাবি চাচ্ছিল। টাকা-পয়সা ও গহনা কোথায় তা জানতে চাচ্ছিল বারবার। তথ্য না দিলে আমার নাতিকে মে’রে ফেলবে বলে হু’মকি দিচ্ছিল ওই ব্যক্তি। একপর্যায়ে আমি তাকে ধরে ফেলি। এ সময় তার সঙ্গে আমার ধস্তাধস্তি শুরু হয়। তখন হাতুড়ি দিয়ে আমা’র ঘাড়ে আঘাত করলে মেঝেতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর কি হয়েছে আমি বলতে পারি না।

আগের কোনো শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণে এ হামলা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ বলেন, মুখোশধারী ব্যক্তি শুধু চাবি আর টাকা-পয়সা কোথায় তা জানতে চেয়েছিল। তার মুখোশ পরা ছিল বলে আমি তাকে চিনতে পারিনি। পরে শুনেছি আমা’র মেয়েকে কু‌‌পিয়ে জখম করা হয়। কেন এ হামলা হয়েছে তা আমি বলতে পারছি না। তবে বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে বের হয়ে যায় ওই ব্যক্তি। তবে বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে ছিল। ইত্তেফাক/এএম

 

Exit mobile version