সন্ধান২৪.কম : গ্রেফতারকৃত তিন আসামির দুই জন নরিবুল ও সান্টুর ৭ দিনের করে রিমান্ডের আদেশ মঞ্জুর করেছেন বিচারক।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির তদন্ত ভার থানা পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে গোয়েন্দায় পুলিশে ন্যস্ত করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে আটক ২ আসামি নবিরুল ইসলাম ও সান্টু কুমারকে দিনাজপুরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঘোড়াঘাট আমলি আদালত-৭ এর বিচারক শিশির কুমার বসুর আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম জাফর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ডিবির ওসি ইমাম জাফর জানান, মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আমরা আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিচারকের নিকট ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। বিচারক দুই আসামির প্রত্যেকের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। মামলাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এছাড়াও মামলার প্রধান আসামি আসাদুল ইসলামকে এখনও আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হলে তারও বিরুদ্ধে রিমান্ড চাইবো আমরা।
উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর ( বুধবার) রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসার ভেতরে ঢুকে তাকেসহ তার বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্ত করে র্যাব। বুধবার রাতেই এ ঘটনায় ওয়াহিদা খানমের ভাই বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন।


