ইউক্রেনের মারিওপোল বন্দরে রুশ বাহিনীর হামলার সময় প্রাণভয়ে মসজিদে আশ্রয় নিয়েছেন ৮৬ জন তুর্কি নাগরিক। ইউক্রেনের শহরটিতে রুশ সেনাদের তীব্র গোলাবর্ষণের সময় এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অবস্থিত ইউক্রেনের দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।
স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ইউক্রেনীয় দূতাবাস জানিয়েছে যে, ওই সময় রাশিয়ান সেনারা মারিওপোল বন্দরে তীব্র গোলাবর্ষণ করছিল। ওই সময় তুরস্কের নাগরিকরা মসজিদে আশ্রয় নেয়। তাদের সঙ্গে শিশুও ছিল।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
রুশ আগ্রাসনের পর থেকে ইউক্রেনে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের বাস ও ট্রেনের মাধ্যমে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে তুরস্ক।
এ বিষয়ে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মওলুদ চাভুশওলু বলেন, এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৭১৯ তুর্কি নাগরিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মারিওপোল বন্দরে আটকা পড়া সাধারণ মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে একটি মানবিক করিডোর খোলার বিষয়ে আলোচনা করছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। তবে এ আলোচনায় কোনো সফলতা আসেনি।
উল্লেখ্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পর ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। এ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থল, আকাশ ও পানিপথে ইউক্রেনে হামলা চালানো হচ্ছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীও প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। আজ যুদ্ধের ১৭তম দিন।
