সন্ধান২৪.কম : পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রয়াত এমপি ও ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলুর পরিবারের সবাই এম্পি হতে চান। আর নির্বাচনের এই রকম দৌড় প্রতিযোগিতা দেখে ভোটাররা পড়েছেন দ্বিধায়। তারা কাকে সমর্থন করবেন আর কাকে বর্জন করবেন তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েছে।
এ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগসহ এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডে ছেলে-মেয়ের সঙ্গে লড়াই করবেন মা, মেয়ে-জামাইয়ের সঙ্গে শাশুড়ি। চাচা লড়াই করবেন ভাতিজি-ভাতিজার সঙ্গে। দেবরের লড়াই হবে ভাবির সঙ্গে। মুখোমুখি অবস্থানে ভাই-বোন।
তবে প্রয়াত এমপি ও ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলুর ছোট ভাই লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান শরিফের ভাষ্য, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যে ছয়জন পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজেদের দাবি করছেন, তাঁদের মধ্যে চারজনের দাবির সারবত্তা নেই। তাঁর মতে, বিয়ের পর মেয়ে কখনো বাবার পরিবারের সদস্য থাকতে পারেন না। সেখানে মেয়ের জামাই কিংবা খালাতো ভাই বা ভাগ্নিজামাই কিভাবে পরিবারের সদস্য হন, তা তাঁর বোধগম্য নয়।
আনিসুর রহমান শরিফ বলেন, ‘ছয়জনকে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য উল্লেখ করে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব নিউজে আমরা অসন্তুষ্ট এবং বিব্রত বোধ করছি।’
তাঁর সাফ কথা, তাঁদের পরিবার থেকে দুজন ফরম তুলেছেন। একজন হলেন প্রয়াত এমপির স্ত্রী কামরুন্নাহার শরিফ, অন্যজন ছেলে গালিবুর রহমান শরিফ। কামরুন্নাহার শরিফ বয়োবৃদ্ধ। তাই পরিবারের একমাত্র যোগ্য প্রার্থী গালিবুর রহমান বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা প্রয়াত এমপির ‘পরিবারের ছয় সদস্য’ হলেন তাঁর স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুন্নাহার শরিফ, ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গালিবুর রহমান শরিফ, মেয়ে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাহজেবিন শিরিন পিয়া, মেয়ের জামাই ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, খালাতো ভাই প্রয়াত এমপির ব্যক্তিগত সহকারী বশির আহমেদ বকুল ও ভাগ্নিজামাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।


