Tuesday, March 3, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home জীবনশৈলী

এক নাবিকের রোজনামচা ।। পর্ব – পাঁচ

September 6, 2020
in জীবনশৈলী
Reading Time: 2 mins read
0
0
0
SHARES
25
VIEWS
Share on Facebook

                               

                                                                                 পর্ব – পাঁচ      

                                                                    এক নাবিকের রোজনামচা ।।

                                            মূল (ইংরেজি): মনজুরুল মান্নান   অনুবাদ : মাজহারউল মান্নান

 

(প্রায় দুই যুগ আগের কাহিনী l এক শিক্ষানবিশ নাবিকের চলার পথে পঞ্চাশোর্ধ এক জাপানি মহিলার সাথে ঘনিষ্ট পরিচয়ের সূত্রে তৎকালীন জাপানী সমাজ ব্যাবস্থার কিছু খন্ড চিত্র উঠে এসেছে তার রোজনামচায় l সেই সাথে মিশে গেছে নাবিকের ব্যাক্তি আর সামাজিক জীবনের নানা টানাপোড়ন আর চাওয়া পাওয়ার হিসাবের গরমিল l পাঁচ পর্বে লেখা এই রোজনামচার পঞ্চম পর্ব (শেষ পর্ব) আজ প্রকাশিত হলো। )

একটা বন্দরে কিছুদিন থাকার পর বন্দরের আশেপাশের কিছু মানুষ, দোকান পাট, এজেন্ট , স্টিভেডর, সবার সাথে একধরণের সখ্য  গড়ে উঠে l  খুব বেশি দূর গড়ায় না l জাহাজ বন্দর ছেড়ে দিলে এক দুই দিনের  মধ্যেই  সব ভুলেও যায় l নতুন বন্দরে আসার পর নাবিক আর এক নতুন মানুষ I পেছনের মেমরি  ডিলিট করে দেয় সে l  অনেকটা যাযাবর  জিপসিদের  জীবন l এই  জিপসি জীবনের ধারাবাহিকতা এবং অভ্যস্ততা নাবিকদের ব্যাক্তিগত ও সামাজিক জীবনে গভীর দাগ রেখে যায়। সেটা কারো ক্ষেত্রে কম কারো বা বেশি l

বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে সমাজের কলুষতা আর সংকীর্ণতা যেমন তাদের ভিতর প্রবেশ করেনা, তেমনি সময়ের সাথে সমাজের জটিল পরিবর্তনগুলোকে মানিয়ে নিতে পারে না l ব্যাতিক্রম যে নেই, তা নয় l সেটার জন্য কঠিন ধর্মীয় অনুশাসন  আর আত্মার অনুশাসন (ইনার ডিসিপ্লন) খুব দরকার l

অনেকে হয়তো আমার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করবেন, বিংশ শতাব্দীর এই উন্নত কমুনিকেশনের যুগে (স্যাটেলাইট ফোন, ইন্টারনেট) জাহাজের জীবন বিচ্ছিন্ন কোন জীবন ধারা নয় l জাহাজীদের মাঝে একটি প্রচলিত কথা আছে যে বিধাতা তিন ধরণের মানুষ প্রজাতি তৈরি করেছে,l ম্যান, ওম্যান এন্ড  সিমান, নাবিক l এই বিংশ শতাব্দীতে বসে নতুন জেনারেশনের নাবিকরা হয়তো সেই প্রবাদের অপবাদ কিছুটা হলেও লাঘব করতে পেরেছে l তবে আমার চোখে এখনো নাবিক হলো উড়ন্ত সাদা এক গাংচিল, যার ভৌগোলিক সীমানা হলো খোলা আকাশ l ধর্মীয় এবং সামাজিক সকল বন্ধনের বাইরে এক ইউনিভার্সাল সিটিজেন l

ইঞ্জিন রুমে একটা প্রয়োজনীয় কাজ সেরে জাহাজ থেকে যখন বের হলাম তখন বেশ দেরি হয়ে গেছে l জাহাজের ইঞ্জিন রুম চলে দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা l কোনো কাজ ফেলে রাখার কোনো সুযোগ নেই l

ইয়ামাশিতার বাড়িতে পৌঁছতে ছয়টা বেজে গেলো l গেট থেকে দেখলাম বাগানের পাশে একটা হেলান চেয়ারে চোখ বুজে শুয়ে আছে সে l কুকুরটা পশে l চেনা মানুষ দেখে কোনো সাড়া শব্দ করলো না l

ইয়ামাশিতার খুব কাছে এসে বললাম,কোনবানানা চোষি দো, শুভ সন্ধ্যা,কারাদ নো চোষি ওয়া দো,তোমার শরীর ঠিক আছে? 

চোখ খুলে একটা ম্লান হাসি দিয়ে সে ইশারায় পাশের চেয়ারে আমাকে বসতে বললো l

তোমাকে কিছুটা অসুস্থ লাগছে, কপালে হাত দিয়ে তাপমাত্রা মাপার চেষ্টা করলাম l হালকা জ্বর l 

কাল তোমার ওখান থেকে আসার পর শরীর কিছুটা খারাপ লেগেছে, বয়স হয়েছে তো, একটু কায়িক পরিশ্রম করলেই শরীর নিতে পারেনা। ওষুধ খেয়ে নিয়েছি , ঠিক হয়ে যাবে l

আমার ধারণা, জাতিগতভাৱে জাপানিরা খুব একটা সমাজবদ্ধ নয় l এরা  একাকিত্ব, নিঃসঙ্গতা , বিচ্ছিন্নতা পছন্দ করে l সেটা হয়তো তাদের কন্সেন্ট্রেশন আর ক্রিয়েটিভ ক্ষমতা বাড়ায় l প্রতিবেশীদের সাথে এদের সম্পর্কটা  মাথা নিচু করে ‘অজিজি’(বাউ) এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ l এর বাইরে একটা কথাও বলা যাবেনা l ছেলে মেয়ে, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজন, সবজায়গায় সম্পর্কের একটা অলিখিত বাউন্ডারি l ইতিহাস বলে ‘অজিজি’ (বাউ) কালচার এসেছে চারশো বছর পূর্বের সামুরাই তথা ওয়ারিয়র বা সামরিক বাহিনীর প্রচলিত কঠোর নিয়ম থেকে l কিন্তু সেটা কীভাবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের  ভেতর গেঁথে গেলো সেটা একটা গবেষণার বিষয় l এটা কতোটা  চাপিয়ে দেয়া, কতোটা শতবর্ষের অভ্যস্ততা আর কতোটা পুরাতন মূল্যবোধের সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে থাকা তা আর এখন জানার উপায় নেই l হফস্টেড’র ‘কান্ট্রি মাসকুলিনিটি  – ফেমিনিটির রেঙ্কিং’ এ  তাদের অবস্থান এখনো সবার উপরে l আজকের এই নারী পুরুষের সম অধিকারের যুগে, এই রেঙ্কিং তাদের ‘অজিজি’(বাউ) কালচারের সাথে  সামঞ্জস্যহীন l আর সেটা কোনো ভাবেই সম্মানের বিষয় নয় I

কিছুক্ষণ নীরবতার পর বললাম , এই যে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর নিঃশব্দে একাকী জীবন কাটাচ্ছো, এটা কি আনন্দের না কষ্টের? কথাটা নিজের কাছেই রূঢ় শোনালো l

মনে মনে ভাবলাম, এদের  আনন্দ আর কষ্টের সাইকোলোজিক্যাল নার্ভটা বিধাতা আদৌ যোগ  করতে ভুলে গেছেন কিনা ?

উদাস ভাবে আমার দিকে একবার তাকিয়ে চোখ বন্ধ করলো ইয়ামাশিতা l

একটু পরে প্রসঙ্গ চেঞ্জ করে বললো, তোমরা কি প্রতিদিনই এই রকম টেবিল ভর্তি খাবার খাও ? বুঝলাম, সে গতকালের জাহাজের ডিনারের কথা বলছে।

বললাম, বলতে পারো, খাওয়া দাওয়াটা আমাদের জীবনের একটা আনন্দের বিষয়। আসলে খুব বেশি আনন্দের বিষয় আমাদের জীবনে নেই l 

বলেই মনে হলো, এই হতাশার কথাটা ওকে বলা ঠিক হলো না l

তুমি কি একটু কষ্ট করে ডিনারটা কিচেন থেকে টেবিলে নিয়ে আসবে ? সব রেডি করা আছে’ l

কোনো অসুবিধা নেই, বলে কিচেনের দিকে পা বাড়ালাম  l

একই খাবার। আগের দিনের মতোই। তবে এবার সে সবকিছুতে লাল মরিচ দিয়েছে l বুঝলাম, এই শিক্ষা সম্ভবত গতকাল জাহাজ থেকে নিয়েছে সে l

 বললাম, তোমার জন্য কি আলাদা সু্প রেখেছো ? এই লাল মরিচের সুপ তুমি তো খেতে পারবেনা।

পারবো, চেষ্টা করে দেখি l

চপস্টিক আর কাঠের চামুচের ঠুক ঠাক শব্দ হচ্ছে l কারো মুখে কোনো কথা নেই।

সহসা নীরাবতা ভেঙে ইয়ামাশিতা বললো, তুমি যে  জায়গায় কাজ করো সেটা তো জোকোকো,  জাহান্নাম l এতো বিকট আওয়াজ, গরম আর ভীতিকর, আমি ওখানে পাঁচ মিনিট থাকলে নির্ঘাত দম বন্ধ হয়ে মারা যাবো l  কিভাবে এতো কষ্ট করো? তোমার বাবা মা জানে?

মনে মনে বললাম, এই জাহান্নাম তৈরির শ্রেষ্ঠ কারিগর তো তোমরাই।

প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে জাপান শিপবিল্ডিং-এ ছিলো এক নম্বরে। এরপর কোরিয়া, শেষে চীন এখন  অর্থসাশ্রয়ী জাহান্নাম তৈরির পবিত্র দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বাকিদেরকে মার্কেট থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করেছে l

বললাম, তুমি যেভাবে এটাকে ভয়ঙ্কর কিছু মনে করছো, আসলে সেরকম কিছুনা I হাজার হাজার  জাহাজ পানিতে ভাসছে I মানুষই তো সেগুলো চালাচ্ছে l পার্থক্য এটুকু, একসময় জোর করে আফ্রিকান দাস নিয়ে এসে এগুলো চালানো হতো আর এখন নুতন প্রজন্মের শিক্ষিত দাসদেরকে  জোর করতে হয়না, ডলারের গন্ধে তারা নিজেরাই আগ্রহভরে চলে আসে l

এতগুলো কথা বলার পর মনে হলো এই কঠিন কথাগুলো ওকে না বললেই চলতো l

আমারদিকে সরাসরি তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে সে বললো, তোমার এই কাজ করার দরকার নেই I তুমি আমার এখানে থেকে যাও l গতকাল আমি বাসায় আসার পর ওই রুমটি পরিষ্কার করে রেখেছি তোমার জন্য I তুমি ওখানেই থাকবে l রাতে ব্যাগ রেডি করে রাখবে l কাল সকালে জাহাজ ছাড়ার আগেই আমি গিয়ে ক্যাপ্টেনকে হাত ধরে রিকোয়েস্ট করবো তোমাকে তিনি যেন ছেড়ে দেন l ক্যাপ্টেন খুবই দয়ালু মানুষ l উনি নিশ্চয়ই আমাকে নিরাশ করবেন না।

কথাগুলো মাথানিচু করে শুনলাম l

গতকাল জাহাজ থেকে আসার সময় বলেছিলো , কিছু কথা আছে l এই হলো তার বিশেষ কথা।

আবার  নুতুন আগ্রহ  নিয়ে শুরু করলো, তুমি যদি পড়াশুনা করতে চাও, আমি সে ব্যবস্থ্যাও  তোমার জন্য করে দেব। পাশেই  টোকিওতে বেশ কয়েকটি  মেরিটাইম কলেজ আছে l এখান থেকে মাত্র ২৫ মাইল রাস্তা l লেখাপড়া শেষ করে একটি ভালো চাকুরী করবে, বাবা মাকে দেখতে যাবে l

তার এই কথাওলোর শোনার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না l বিশেষ করে তার দ্বিতীয় বাক্যটি I    স্কুল কলেজে  জীবনে মোটামুটি মেধাবী ছাত্র ছিলাম l বাবা মা চেয়েছিলেন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করি l তাদের কথা না শুনে, না বুঝে জীবনের সর্বশ্রেঠ সম্পদ জ্ঞানার্জনের দরোজা বন্ধ করে ডলারের মোহে এই জীবনকে বেছে নিয়েছিলাম I বন্ধু বান্ধব যখন উনিভার্সিটির মুক্ত পরিবেশে  জ্ঞানার্জনের আনন্দে ময়ূর পাখির মতো পেখম মেলে বেড়াচ্ছে , তখন আমি  সাগরে সাগরে  ঠিকানাহীন লক্ষ্যহীন ভাবে ভেসে বেড়াই l ভাসতে ভাসতে যখন  কিনারায় পৌঁছলাম, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে l ডলারের মোহ কেটে গেলেও, জ্ঞানার্জনের ক্ষমতা ততদিনে  হারিয়ে ফেলেছি I এই মহিলা না জেনে না বুঝে আমার জন্ম জন্মান্তরের চাওয়া কে স্পর্শ করেছে। খুব স্বাভাবিকভাবে  কিন্তু নিবিড় স্নেহে l আবেগ সামলানোর জন্য ওয়াশ রুমে গেলাম I

ডিনার  শেষ l দুজনে  ঘরের  বাইরে বাগানের পাশে দুটি হেলান চেয়ারে বসে সামনের দিকে তাকিয়ে আছি l ইয়ামাশিতা নীরাবতা ভেঙে কথা বলা শুরু করলো, আমাদের জীবনের একটা বড় সময় কঠিন আর্থিক কষ্টে পার করতে হয়েছে l দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আর তার পরের দশটি বছর প্রায় অন্ধকার সময় I কোথাও কোন কাজ নেই I পুরো দুনিয়া থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন I কোথাও  কোনো সাহায্য নেই l একজনের সামান্য বেতন দিয়ে তিন জন মানুষ কোনো ভাবে জীবন যাপন করছি I আরেকটি যে সন্তান নেবো সে সক্ষমতাও নেই l আজ মনে হয় আমার একটি ছেলে থাকলে জীবনটা অন্যরকম হতো l

বললাম, তুমি কি নিশ্চিত যে তোমার সেই ছেলে তোমার সাথে থাকতো ?

না তা হবে কেন ? সে হয়তো টোকিওর কাছাকাছি কোথাও থাকতো, সাথে একটা বউ থাকতো , দুটো বাচ্চা থাকতো I আমি মাঝে মাঝে ওদের জন্য ফ্রেশ কিছু ফল নিয়ে যেতাম আর রবিবারে ওরা সবাই এসে আমার বাড়িটা চিৎকার চেঁচামেচিতে ভরে দিতো l

অতি সরলভাবে বলা কথাগুলো শুনে মনে হলো এটি কোনো স্বপ্নের কথা নয়, একজন অতি সাধারণ মায়ের মৌলিক চাওয়া পাওয়ার কথা I

হতাশার সুরে চোখ বুঁজে যোগ করলো সে, একা একা থাকি l সরকার চিঠি দিয়েছে, যেহেতু আমার সাথে কেউ থাকে না, আমার  নিরাপত্তা আর চিকিৎসার জন্য তারা উদ্বিগ্ন l উদ্বিগ্ন হওয়াই স্বাভাবিক l হয়তো জোর করেই একদিন ওল্ড হোমে নিয়ে যাবে l সেটি হবে আমার প্রথম মৃত্যু l আহা, মৃত্যুটা যদি এই বাড়িতেই হতো ? কথাগুলো এক বাক্যে  বলে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো l

দুইজনেই চুপচাপ l আমি কি করবো সেটা আমার জানা কিন্তু কি বলা উচিত সেটা আমি জানি না l কোনো শব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা l

অন্ধকারে ওর হাতটা ধরে বললাম, তুমি যেটা চাইছো, আমি সেটা চাইলেও সম্ভব না l ইমিগ্রেশন,  সাইন অফ, আমার এমপ্লয়মেন্ট টার্মস, কমিটমেন্ট সব মিলিয়ে ব্যাপারটা খুবই জটিল l তবে তোমাকে একটা সুখবর দেই, আমার জাহাজ এখন চায়নায় যাচ্ছে, একমাস পরে আবার এখানে আসবে l তোমার সাথে একমাস পরেই আবার দেখা হবে l

বিদায়ের আগে পরিবেশ হালকা করার জন্য বললাম, তুমি তো চা পছন্দ করো, তোমার জন্য বিভিন্ন ফ্লেভারের চাইনিজ টি নিয়ে আসবো I

ব্যাগটা ঘাড়ে নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছি l আমার হাতটা ধরে গেট পর্যন্ত এলো সে l গলার উলেন স্কার্ফটা ভালো করে পেঁচিয়ে দিয়ে বললাম, বাইরে বেশ ঠান্ডা, তুমি ভেতরে যাও তারপর আমি  রওনা দেবো I

বাইরে গাঢ় অন্ধকার l সেই অন্ধকার নিজেই এগিয়ে এসে দুই মেরুর দুই মানুষের নিঃস্বার্থ  ভালোবাসার আবেগকে সযত্নে ঢেকে দিলো l

 

 

 

 

Related Posts

জীবনশৈলী

মায়ের অপুষ্টির কারণেই শিশুর ডায়াবিটিস ও হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ে

January 8, 2026
3
জীবনশৈলী

ভয়ংকর খাদ্যদূষণ : প্রতি বছর বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত

December 8, 2025
6
No Result
View All Result

Recent Posts

  • বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার-মাহফিল অনুষ্ঠানে সরকারি অনুদান পাওয়ার ঘোষণা
  • নিউইয়র্কে একুশে উপেক্ষিত ! বাংলাদেশ সোসাইটি,কনস্যুলেট অফিসসহ কেউ দায়িত্ব পালন করছে না
  • ছত্রভঙ্গের পর ফের শাহবাগ অবরোধে ইনকিলাব মঞ্চ, গুরুতর আহত অনেক
  • আমেরিকার সঙ্গে নির্বাচনের তিন দিন আগে ‘গোপন’ বাণিজ্য চুক্তির তোড়জোড় বাংলাদেশের
  • বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রি বন্ধ ! আরও পাকছে জট?

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version