করাচিতে পুলিশ দফতরে সশস্ত্র জঙ্গিহানা, মৃত , আহত ১০

সন্ধান২৪.কমঃ পাকিস্তান বার বার জঙ্গি হানায় বিধ্বস্ত হতে চলেছে । গত জানুয়ারিতে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের পর এ বারের নিশানা করাচির শরিয়া ফয়জালে অবস্থিত পুলিশ কর্তার দফতর। পুলিশ এবং জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষে মৃত অন্তত সাত জন। এদের মধ্যে পাঁচ জন জঙ্গি এবং একজন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ জন। ঘটনার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠী।

পাকিস্তানের স্থানীন সময় বৃহস্পতীবার সন্ধে ৭টা ১০ মিনিটে এবং নিউইয়র্ক সময় সকাল ৯টায় এই ঘটনার সুত্রপাত হয়। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার দুপুর ২-৩০মি) ধুন্ধমার গোলাগুলি চলছে। ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র দল আচমকা করাচিতে পুলিশ কর্তার দফতরে ঢুকে পড়ে। সেখানে ঢুকেই তাঁরা এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে পুলিশও। আক্রমণের কথা টুইট করে জানিয়েছেন করাচির পুলিশ প্রধান জাভেদ ওধো।

পুলিশ জানিয়েছেন, সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। কয়েকজন পুলিশকর্মী সহ আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তিনি আরও জানান, দু’জন জঙ্গি পুলিশের ঊর্দি সামনের দরজা দিয়ে এবং কয়েকজন পিছনের দরজা দিয়ে দফতরে প্রবেশ করেন। পাঁচ তলা পুলিশ দফতরটির একটি তলা খালি করে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন কিন্তু এখনও বেশ কয়েকজন দফতরের ভিতরেই রয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও গোলাগুলি চলছে। দফতরে ভিতর থেকে বোমার শব্দও শুনতে পাওয়া গিয়েছে।

সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ সংশ্লিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই রকম আক্রমণ কোনও মতেই মেনে নেওয়া যায় না। এর পিছনে যাঁরা জড়িত তাঁদের উচিৎ শাস্তি দেওয়া হবে।

নভেম্বরে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে তালিবানের একমাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর সে দেশে জঙ্গিহানার সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। জানুয়ারী মাসের ৩১ তারিখে পেশোয়ারের একটি মসজিদে ভরদুপুরে প্রার্থনা চলাকালীন আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেই ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল প্রায় ১০০ জনের। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন পুলিশকর্মী।

Exit mobile version