শিশুদের নাক বন্ধ ঃ আধা কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে ১/৪ চামচ লবণ মিশিয়ে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। শিশুকে চিত করে শুইয়ে কাঁধের নিচে একটা তোয়ালে গোল করে মাথাটা খানিক উঁচু করে দিন। এবার ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড পর পর দুই বা তিন ফোঁটা করে নাকে এই ড্রপ দিয়ে দিন।
বাত ঃ বড় এলাচের গুঁড়ো, আধ চামচ পরিমাণ মধু সহ খেতে হবে রােজ একবার করে ১ মাস।ফোস্কা পড়া ঃ পুরানো তেঁতুল ভালো করে জলে গুলে ঐ জল লাগালে ফোস্কা পড়ে না ও ঘা হয় না।
কোষ্ঠকাঠিন্য –১ গ্লাস গরম জলে বা গরম দুধে ২ চামচ ইসবগুলের ভূষি এবং ১ চামচ চিনি মিশিয়ে খেতে হবে রাত্রে শোবার আগে। রোজ খাবার দরকার নেই। প্রয়োজন হলে খেতে হবে।
ডায়াবেটিস ঃ কালোজামের বিচি গঁড়ো করে ১ চামচ পরিমাণ খেতে হবে দিনে দুবার করে ১ মাস ।
ঘামাচি ঃ শঙ্খের গুঁড়ো মাখলে ঘামাচি মরে যায়। তেজপাতা বেটে গায়ে মেখে আধ ঘন্টা রেখে তারপর ভালো করে গা রগড়ে স্নান করলে ঘামাচি মরে যায়, ঘাম কম হয়, গা পরিষ্কার থাকে।
চুল ওঠা ঃ জবা ফুলের কুঁড়ি বেটে মাথায় মাখতে হবে। আধা ঘন্টা পর স্নান করতে হবে। এভাবে সপ্তাহে দু-দিন করে অন্ততঃ ১ মাস মাখতে হবে।
অম্ল ঃ অ্যাসিডযুক্ত কোষ্ঠবদ্ধতায় রাত্রে ১ গ্লাস গরম জলে ৮ টুকরো আমলকি, ৪ টুকরো হরিতকী এবং ৪ টুকরো বহেরা (ত্রিফলা) ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ঐ জল ছেঁকে নিয়ে খেতে হবে খালি পেটে। রোজ একবার করে ১ মাস।
পেট ফাঁপাঃ ৫ প্রাম জোয়ান ও ২ প্রাম সৈন্ধব লবন একত্রে গুঁড়ো করে গরম জল সহ খেলে পেট ফাঁপা আরােগ্য হয়। প্রচন্ড পেট ব্যথাও আরগ্য হয়।
হাঁপানি ঃ তিন থেকে চার কোয়া রসুন, খোসা ছাড়িয়ে রাতে টক দই মেখে রাখুন। সকালবেলা জলখাবার খাওয়ার পর উক্ত দই সহ রসুন ভালো করে বেটে ১ কাপ গরম দুধে দিয়ে খান, ১ মাস।
আমাশয় ঃ একটি কাঁচাকলা বাকলা সহ ৩-৪ টুকরো করে দু’কাপ জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে রাতের। পরদিন সকালে খালিপেটে ঐ জলটা খেতে হবে। ৭ দিনের আমাশয় হলে ১-২ দিন খেলেই ভালো হবে।
